ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

মিরপুরে সিরিজ ফয়সালার লড়াইয়ে মুখোমুখি বাংলাদেশ-পাকিস্তান

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে এখন ১-১ সমতা বিরাজ করছে। প্রথম দুটি ম্যাচে দুই দলই সমান ১১৪ রানে গুটিয়ে গেলেও, জয়-পরাজয়ের ব্যবধান ছিল বিশাল। আজ সেই সমতা ভাঙার দিন। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিবা-রাত্রির ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। এই ম্যাচেই নির্ধারিত হবে সিরিজ ভাগ্য।

র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতির জন্য বাংলাদেশের সামনে জয় ভিন্ন কোনো বিকল্প নেই। এই ম্যাচে জিততে পারলে আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে দশম স্থান থেকে নবম স্থানে উঠে আসবে টাইগাররা। হারলে সেই দশেই আটকে থাকতে হবে। প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি বাংলাদেশ, ফলে বৃষ্টি আইনে ১২৮ রানের বিশাল পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল স্বাগতিকদের। এখন শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিতে মরিয়া বাংলাদেশ দল।

প্রথম দুই ম্যাচেই মিরপুরের পিচ পেসারদের জন্য স্বর্গরাজ্য ছিল। প্রথম ম্যাচে নাহিদ রানা দুর্দান্ত পারফর্ম করে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। দ্বিতীয় ম্যাচে সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে বড় সংগ্রহ গড়ে পাকিস্তান। পাশাপাশি বল হাতে শাহিন শাহ আফ্রিদি, মোহাম্মদ ওয়াসিম ও হারিস রউফরাও পেয়েছেন সাফল্য। তাতে স্পষ্ট যে, মিরপুরের উইকেট সম্পর্কে সফরকারীরা বেশ ভালোভাবেই ধারণা পেয়েছে।

তাদের দাপটের দিনে নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয় কিংবা রিশাদ হোসেনরা বড় রান করতে পারেননি। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে তাই তাদের ওপর থাকবে বাড়তি প্রত্যাশা। এছাড়া ওপেনার সাইফ হাসান ও চারে নামা অভিজ্ঞ লিটন দাসের কাঁধেও থাকবে প্রত্যাশার চাপ। কারণ, বরাবরই ওয়ানডেতে মিডল অর্ডার নিয়ে সংকটাপন্ন অবস্থার মুখোমুখি হচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সিরিজ জিততে হলে এই সমস্যার সমাধান করার কোনো বিকল্প নেই স্বাগতিকদের সামনে।

এই ম্যাচের আগে আলোচনায় থাকবেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। বল হাতে নিজেকে প্রমাণ করতে পারলেও ব্যাটিংয়ে এখনো তিনি নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। লোয়ার অর্ডারে একজন অলরাউন্ডারের অভাবে ভোগা বাংলাদেশ তাই তাকিয়ে থাকবে রিশাদের দিকে। অন্যদিকে বোলার সংকটের অভাব পূরণ করে দেওয়া পাকিস্তানের মাজ সাদাকাতের উপর সফরকারীরা করবে বাড়তি ভরসা। এই ‘অঘোষিত’ ফাইনালে বাংলাদেশ একাদশে এক বা দুটি পরিবর্তন আসতে পারে, বিশেষ করে ওপেনিংয়ে সাইফ হাসানের খেলার সম্ভাবনা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রপথে চরম উত্তেজনা: দুই সপ্তাহে ১৭ জাহাজে হামলা, নিহত ২ ভারতীয়

মিরপুরে সিরিজ ফয়সালার লড়াইয়ে মুখোমুখি বাংলাদেশ-পাকিস্তান

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে এখন ১-১ সমতা বিরাজ করছে। প্রথম দুটি ম্যাচে দুই দলই সমান ১১৪ রানে গুটিয়ে গেলেও, জয়-পরাজয়ের ব্যবধান ছিল বিশাল। আজ সেই সমতা ভাঙার দিন। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিবা-রাত্রির ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। এই ম্যাচেই নির্ধারিত হবে সিরিজ ভাগ্য।

র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতির জন্য বাংলাদেশের সামনে জয় ভিন্ন কোনো বিকল্প নেই। এই ম্যাচে জিততে পারলে আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে দশম স্থান থেকে নবম স্থানে উঠে আসবে টাইগাররা। হারলে সেই দশেই আটকে থাকতে হবে। প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি বাংলাদেশ, ফলে বৃষ্টি আইনে ১২৮ রানের বিশাল পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল স্বাগতিকদের। এখন শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিতে মরিয়া বাংলাদেশ দল।

প্রথম দুই ম্যাচেই মিরপুরের পিচ পেসারদের জন্য স্বর্গরাজ্য ছিল। প্রথম ম্যাচে নাহিদ রানা দুর্দান্ত পারফর্ম করে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। দ্বিতীয় ম্যাচে সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে বড় সংগ্রহ গড়ে পাকিস্তান। পাশাপাশি বল হাতে শাহিন শাহ আফ্রিদি, মোহাম্মদ ওয়াসিম ও হারিস রউফরাও পেয়েছেন সাফল্য। তাতে স্পষ্ট যে, মিরপুরের উইকেট সম্পর্কে সফরকারীরা বেশ ভালোভাবেই ধারণা পেয়েছে।

তাদের দাপটের দিনে নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয় কিংবা রিশাদ হোসেনরা বড় রান করতে পারেননি। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে তাই তাদের ওপর থাকবে বাড়তি প্রত্যাশা। এছাড়া ওপেনার সাইফ হাসান ও চারে নামা অভিজ্ঞ লিটন দাসের কাঁধেও থাকবে প্রত্যাশার চাপ। কারণ, বরাবরই ওয়ানডেতে মিডল অর্ডার নিয়ে সংকটাপন্ন অবস্থার মুখোমুখি হচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সিরিজ জিততে হলে এই সমস্যার সমাধান করার কোনো বিকল্প নেই স্বাগতিকদের সামনে।

এই ম্যাচের আগে আলোচনায় থাকবেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। বল হাতে নিজেকে প্রমাণ করতে পারলেও ব্যাটিংয়ে এখনো তিনি নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। লোয়ার অর্ডারে একজন অলরাউন্ডারের অভাবে ভোগা বাংলাদেশ তাই তাকিয়ে থাকবে রিশাদের দিকে। অন্যদিকে বোলার সংকটের অভাব পূরণ করে দেওয়া পাকিস্তানের মাজ সাদাকাতের উপর সফরকারীরা করবে বাড়তি ভরসা। এই ‘অঘোষিত’ ফাইনালে বাংলাদেশ একাদশে এক বা দুটি পরিবর্তন আসতে পারে, বিশেষ করে ওপেনিংয়ে সাইফ হাসানের খেলার সম্ভাবনা রয়েছে।