প্রাকৃতিক সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাত নতুন কিছু নয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনায় এবার তেলের পাশাপাশি ‘পানি’ হয়ে উঠছে এক গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অস্ত্র। উপসাগরীয় অঞ্চলে মাত্র ২ শতাংশ মিষ্টি পানির সরবরাহ থাকায় এই অঞ্চলের দেশগুলো সমুদ্রের পানিকে লবণমুক্ত করার ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। বর্তমানে ওমান, কুয়েত এবং সৌদি আরবের মতো দেশগুলোতে পানির চাহিদার বড় অংশই পূরণ হয় এই কৃত্রিম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সরাসরি সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে ইরান এখন পানি সরবরাহের অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার কৌশল নিতে পারে। কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন এই পানি সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এই পরিকাঠামো ধ্বংস করা প্রতিপক্ষের জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণে পানি এখন একটি শক্তিশালী যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে, যা পুরো অঞ্চলের স্থায়িত্বকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 






















