ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

মোজতবা খামেনিসহ ইরানি নেতাদের তথ্যের বিনিময়ে ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা আমেরিকার

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ছেলে মোজতবা খামেনিসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চেয়ে বড় অংকের পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির স্টেট ডিপার্টমেন্টের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ প্রোগ্রামের আওতায় এই তথ্যদাতাদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার এবং পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, এই নেতারা ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) বিভিন্ন শাখা পরিচালনা করেন, যারা বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত। তালিকায় মোজতবা খামেনি ছাড়াও রয়েছেন গোয়েন্দা মন্ত্রী এসমাইল খাতিব, আলী আসগর হেজাজি, মেজর জেনারেল ইয়াহইয়া রাহিম ছাফাভি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসকান্দার মোমেনি এবং আলী লারিজানি।

এদিকে, এমন এক সময়ে এই ঘোষণা এল যখন আলী লারিজানি তেহরানে আল-কুদস দিবসের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিজের উপস্থিতির জানান দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ইরান বিরোধী চাপের অংশ হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামের রাউজানে ৪৬ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের যুবদলকর্মী খুন, এলাকায় আতঙ্ক

মোজতবা খামেনিসহ ইরানি নেতাদের তথ্যের বিনিময়ে ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা আমেরিকার

আপডেট সময় : ০২:৫২:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ছেলে মোজতবা খামেনিসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চেয়ে বড় অংকের পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির স্টেট ডিপার্টমেন্টের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ প্রোগ্রামের আওতায় এই তথ্যদাতাদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার এবং পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, এই নেতারা ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) বিভিন্ন শাখা পরিচালনা করেন, যারা বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত। তালিকায় মোজতবা খামেনি ছাড়াও রয়েছেন গোয়েন্দা মন্ত্রী এসমাইল খাতিব, আলী আসগর হেজাজি, মেজর জেনারেল ইয়াহইয়া রাহিম ছাফাভি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসকান্দার মোমেনি এবং আলী লারিজানি।

এদিকে, এমন এক সময়ে এই ঘোষণা এল যখন আলী লারিজানি তেহরানে আল-কুদস দিবসের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিজের উপস্থিতির জানান দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ইরান বিরোধী চাপের অংশ হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।