ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

বিশ্ববাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আইইএ’র রেকর্ড মজুদ ছাড়ের প্রস্তাব; মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত প্রভাব ফেলছে বাজারে

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় তা স্থিতিশীল করতে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপের প্রস্তাব দিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)। সংস্থাটি তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেল মজুদ ছাড়ার কথা বিবেচনা করছে, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং এএফপি’র তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে আইইএ’র সদস্য দেশগুলো বাজারে ১৮২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছেড়েছিল। এবার প্রস্তাবিত মজুদ ছাড়ের পরিমাণ সেবারের চেয়েও বেশি হতে পারে, যা বৈশ্বিক তেলের বাজারে একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।

মঙ্গলবার আইইএ’র ৩২টি সদস্য দেশের জ্বালানি কর্মকর্তাদের এক জরুরি বৈঠকে এই প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, বুধবার এ বিষয়ে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক জ্বালানি নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি ভোক্তাদের ওপর তেলের মূল্যবৃদ্ধির চাপ কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের উখিয়ায় সেহরির সময় গৃহবধূকে নৃশংস হত্যা: এলাকায় আতঙ্ক

বিশ্ববাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আইইএ’র রেকর্ড মজুদ ছাড়ের প্রস্তাব; মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত প্রভাব ফেলছে বাজারে

আপডেট সময় : ১১:৪৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় তা স্থিতিশীল করতে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপের প্রস্তাব দিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)। সংস্থাটি তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেল মজুদ ছাড়ার কথা বিবেচনা করছে, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং এএফপি’র তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে আইইএ’র সদস্য দেশগুলো বাজারে ১৮২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছেড়েছিল। এবার প্রস্তাবিত মজুদ ছাড়ের পরিমাণ সেবারের চেয়েও বেশি হতে পারে, যা বৈশ্বিক তেলের বাজারে একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।

মঙ্গলবার আইইএ’র ৩২টি সদস্য দেশের জ্বালানি কর্মকর্তাদের এক জরুরি বৈঠকে এই প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, বুধবার এ বিষয়ে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক জ্বালানি নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি ভোক্তাদের ওপর তেলের মূল্যবৃদ্ধির চাপ কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।