মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে, বিশেষ করে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)ভুক্ত দেশগুলোতে প্রায় ৩৫ মিলিয়ন বিদেশি বসবাস করেন। এদের একটি বড় অংশই দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে আসা কর্মী। বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার কারণে বিদেশি কর্মীদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় গন্তব্য।
এই বিদেশি কর্মীরা জিসিসি দেশগুলোর শ্রমশক্তির একটি অপরিহার্য অংশ। তারা শ্রমিক, নির্মাণকর্মী, গৃহকর্মী, নিরাপত্তাকর্মী এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি ব্যাংকিং, ফাইন্যান্স, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, বিমান চলাচল, চিকিৎসা ও গণমাধ্যমের মতো বিভিন্ন শিল্প খাতে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন পেশাদার হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বহু প্রজন্ম ধরে তারা এই অঞ্চলকে নিজেদের ঠিকানা মনে করেন এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণে তাদের অবদান অনস্বীকার্য।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক ডিজিটাল মার্কেটিং সংস্থা গ্লোবাল মিডিয়া ইনসাইটের তথ্য অনুযায়ী, জিসিসিভুক্ত দেশগুলোতে বসবাসকারী বিদেশিদের মধ্যে শীর্ষ ১০টি জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভারত শীর্ষে রয়েছে। এরপরই রয়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিশর, ফিলিপাইন, ইয়েমেন, সুদান, নেপাল, সিরিয়া এবং শ্রীলঙ্কা। উদাহরণস্বরূপ, সৌদি আরবে প্রায় ১ কোটি ৬৪ লাখ বিদেশি নাগরিক বাস করেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি, ভারতীয় এবং পাকিস্তানি। একইভাবে, সংযুক্ত আরব আমিরাতেও বিপুল সংখ্যক ভারতীয়, পাকিস্তানি এবং বাংলাদেশি কর্মী কর্মরত আছেন।
রিপোর্টারের নাম 


















