আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান উত্তেজনা এবং জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে তার প্রশাসন তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথা ভাবছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই ইঙ্গিত দেন। তবে কোন দেশ বা কোন নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে যখন বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১২০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছানোর পর আবার ৯০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন, কারণ রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক এবং চীন তাদের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার ও প্রধান আমদানিকারক।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ধারণার চেয়ে আগেই শেষ হবে বলে ট্রাম্পের ঘোষণার পরপরই তেলের দাম কমেছে এবং শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রভাব দেখা দিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে যুদ্ধ শেষ হলে ওয়াশিংটন কিছু দেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে পারে। এর আগে, ট্রাম্প প্রশাসনের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেছিলেন যে তারা রুশ তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা বিবেচনা করছে। এমনকি ভারতকে মস্কো থেকে তেল কেনার জন্য অস্থায়ীভাবে অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা সমুদ্রপথে আটকে থাকা রুশ তেল কিনতে পারে।
অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন যে ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ইউরোপে তারা শর্তসাপেক্ষে তেল ও গ্যাস সরবরাহ করতে প্রস্তুত। তিনি জানান, মস্কো ইউরোপীয় গ্রাহকদের সঙ্গে আবার কাজ করতে আগ্রহী, যারা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অর্থায়ন বন্ধ করার জন্য মূলত তাদের দেশ থেকে তেল কেনা বন্ধ করে দিয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 



















