ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ‘ডার্ক ঈগল’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো তাদের অত্যাধুনিক ‘ডার্ক ঈগল’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বিদেশের মাটিতে মোতায়েন করেছে। মার্কিন সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলে অনুষ্ঠিত একটি বহুজাতিক সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণের জন্য এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পাঠানো হয়েছে।

‘ডার্ক ঈগল’ নামে পরিচিত এই হাইপারসনিক অস্ত্র শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণের বেশি গতিতে উড়তে সক্ষম এবং প্রায় ১ হাজার ৭২৫ মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের অন্যতম বিশেষত্ব হলো, এটি মাঝ আকাশে নিজের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। এই সক্ষমতার কারণে শত্রুপক্ষের রাডার বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে একে শনাক্ত করা বা প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন বলে জানানো হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দ্রুত উন্নত অস্ত্র মোতায়েনের সক্ষমতা প্রদর্শনের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি শক্তিশালী বার্তাও দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাস্টমসে দুর্নীতিবাজদের দৌরাত্ম্য: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের আল্টিমেটাম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ‘ডার্ক ঈগল’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন

আপডেট সময় : ০৯:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো তাদের অত্যাধুনিক ‘ডার্ক ঈগল’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বিদেশের মাটিতে মোতায়েন করেছে। মার্কিন সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলে অনুষ্ঠিত একটি বহুজাতিক সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণের জন্য এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পাঠানো হয়েছে।

‘ডার্ক ঈগল’ নামে পরিচিত এই হাইপারসনিক অস্ত্র শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণের বেশি গতিতে উড়তে সক্ষম এবং প্রায় ১ হাজার ৭২৫ মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের অন্যতম বিশেষত্ব হলো, এটি মাঝ আকাশে নিজের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। এই সক্ষমতার কারণে শত্রুপক্ষের রাডার বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে একে শনাক্ত করা বা প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন বলে জানানো হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দ্রুত উন্নত অস্ত্র মোতায়েনের সক্ষমতা প্রদর্শনের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি শক্তিশালী বার্তাও দিয়েছে।