ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উপসাগরীয় অঞ্চলে নজরদারি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ১২টি দেশ ইরানের সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকিতে থাকায় সেখানে দূরপাল্লার সামরিক নজরদারি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আলজাজিরার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ জানিয়েছেন, রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান বিমান বাহিনী আগামী চার সপ্তাহের জন্য একটি ই-সেভেনএ ওয়েজটেইল নজরদারি বিমান এবং সহায়ক কর্মী মোতায়েন করবে। এই বিমান উপসাগরীয় অঞ্চলের আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অনুরোধে এই বিমান মোতায়েন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আমিরাতকে উন্নত মাঝারি পাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রও সরবরাহ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ আরও বলেন, এই মোতায়েন কোনো আক্রমণাত্মক উদ্দেশ্যে নয়, বরং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর রক্ষণাত্মক সক্ষমতা বাড়ানো এবং আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করার জন্য করা হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, অস্ট্রেলিয়া এই অঞ্চলের দেশগুলোকে “সম্মিলিত আত্মরক্ষায়” সহায়তা করবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পরেই অস্ট্রেলিয়া এই সামরিক সহায়তার সিদ্ধান্ত নেয় বলে তিনি জানান।

মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত প্রায় ১ লক্ষ ১৫ হাজার অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকের নিরাপত্তা, যার মধ্যে ২৪ হাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করেন, এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অন্যতম কারণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাস্টমসে দুর্নীতিবাজদের দৌরাত্ম্য: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের আল্টিমেটাম

ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উপসাগরীয় অঞ্চলে নজরদারি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় : ০৯:৩৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ১২টি দেশ ইরানের সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকিতে থাকায় সেখানে দূরপাল্লার সামরিক নজরদারি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আলজাজিরার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ জানিয়েছেন, রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান বিমান বাহিনী আগামী চার সপ্তাহের জন্য একটি ই-সেভেনএ ওয়েজটেইল নজরদারি বিমান এবং সহায়ক কর্মী মোতায়েন করবে। এই বিমান উপসাগরীয় অঞ্চলের আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অনুরোধে এই বিমান মোতায়েন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আমিরাতকে উন্নত মাঝারি পাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রও সরবরাহ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ আরও বলেন, এই মোতায়েন কোনো আক্রমণাত্মক উদ্দেশ্যে নয়, বরং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর রক্ষণাত্মক সক্ষমতা বাড়ানো এবং আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করার জন্য করা হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, অস্ট্রেলিয়া এই অঞ্চলের দেশগুলোকে “সম্মিলিত আত্মরক্ষায়” সহায়তা করবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পরেই অস্ট্রেলিয়া এই সামরিক সহায়তার সিদ্ধান্ত নেয় বলে তিনি জানান।

মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত প্রায় ১ লক্ষ ১৫ হাজার অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকের নিরাপত্তা, যার মধ্যে ২৪ হাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করেন, এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অন্যতম কারণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।