ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

বিদেশে বসে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে হাসিনা: এলজিআরডি মন্ত্রীর অভিযোগ

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন যে, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিদেশে পালিয়ে গেলেও শেখ হাসিনার কোনো অনুশোচনা নেই। তিনি বিদেশে বসে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছেন।

রোববার দুপুরে ‘মায়ের ডাক’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরও জানান যে, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি ভাতা প্রদানের প্রয়োজনীয়তার কথা জানাবেন। তিনি বলেন, ‘আজ আমরা কেউ মন্ত্রী, কেউ এমপি, কেউ বড় চাকরিজীবী—আমাদের সচিবরাও এখানে আছেন। আমরা সবাই নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছি। কিন্তু যারা এই সংগ্রামের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন, তাদের সন্তানেরা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। অন্তত তাদের ভবিষ্যৎ সুন্দর করার চেষ্টা আমরা করতে পারি, তাহলেই সরকারের আসা সার্থক হবে।’

তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সংগ্রামের সময় যারা তাকে অনুপ্রাণিত করেছেন, তাদের তিনি সর্বদা স্মরণ করেন। তিনি সেই সময়ের একা একা লড়াইয়ের কথাও স্মরণ করেন।

মন্ত্রী একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, ‘একটি ছবি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। তবে আমি চাই, সেখানে যেন সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়।’

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘ভাষা আন্দোলন ছাড়া আমাদের অনেক জাতীয় সংগ্রাম, লড়াই ও যুদ্ধ হয়েছে—কিন্তু সেগুলো নিয়ে খুব বেশি উচ্চমানের সাহিত্য বা কবিতা তৈরি হয়নি। আমি আশা করি, এবারের যে সংগ্রাম ও লড়াই আমরা করছি, তা যেন সেই মানের হয়, যাতে আমরা গোটা পৃথিবীতে তা উপস্থাপন করতে পারি।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারী কেবল ঘর নয়, দেশকেও নেতৃত্ব দিতে সক্ষম: পর্যটনমন্ত্রী

বিদেশে বসে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে হাসিনা: এলজিআরডি মন্ত্রীর অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:৫৪:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন যে, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিদেশে পালিয়ে গেলেও শেখ হাসিনার কোনো অনুশোচনা নেই। তিনি বিদেশে বসে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছেন।

রোববার দুপুরে ‘মায়ের ডাক’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরও জানান যে, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি ভাতা প্রদানের প্রয়োজনীয়তার কথা জানাবেন। তিনি বলেন, ‘আজ আমরা কেউ মন্ত্রী, কেউ এমপি, কেউ বড় চাকরিজীবী—আমাদের সচিবরাও এখানে আছেন। আমরা সবাই নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছি। কিন্তু যারা এই সংগ্রামের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন, তাদের সন্তানেরা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। অন্তত তাদের ভবিষ্যৎ সুন্দর করার চেষ্টা আমরা করতে পারি, তাহলেই সরকারের আসা সার্থক হবে।’

তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সংগ্রামের সময় যারা তাকে অনুপ্রাণিত করেছেন, তাদের তিনি সর্বদা স্মরণ করেন। তিনি সেই সময়ের একা একা লড়াইয়ের কথাও স্মরণ করেন।

মন্ত্রী একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, ‘একটি ছবি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। তবে আমি চাই, সেখানে যেন সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়।’

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘ভাষা আন্দোলন ছাড়া আমাদের অনেক জাতীয় সংগ্রাম, লড়াই ও যুদ্ধ হয়েছে—কিন্তু সেগুলো নিয়ে খুব বেশি উচ্চমানের সাহিত্য বা কবিতা তৈরি হয়নি। আমি আশা করি, এবারের যে সংগ্রাম ও লড়াই আমরা করছি, তা যেন সেই মানের হয়, যাতে আমরা গোটা পৃথিবীতে তা উপস্থাপন করতে পারি।’