ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. মহিউদ্দিন আহমেদ আর নেই

রাজধানী ঢাকায় প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. মহিউদ্দিন আহমেদ আর বেঁচে নেই। গত শুক্রবার (তারিখ উল্লেখ করা হয়নি) ভোর ৫টা ১০ মিনিটে শ্যামলীর ঢাকা হাউজিংয়ের নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে।

ডা. মহিউদ্দিন আহমেদ ১৯৪৭ সালের ১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আশুগঞ্জ জিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের মরহুম আব্দুর রাজ্জাকের একমাত্র পুত্র ছিলেন।

কৃতিত্বের সঙ্গে ১৯৬৭ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পর তিনি সৌদি সরকারের অধীনে চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন এবং সেখানে মানবসেবামূলক চিকিৎসা কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখেন।

দেশে ফিরে ১৯৮৪ সাল থেকে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন এবং নিরলসভাবে মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।

ডা. মহিউদ্দিন আহমেদ তাঁর স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে এবং আট বোনসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর একমাত্র ছেলে নাসাদ আহমেদ সাফা একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন ডটকম-এ উচ্চপদে কর্মরত। তিনি একইসাথে একজন লেখক ও কবি হিসেবেও পরিচিত। তাঁর মেয়ে মারওয়া চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একজন কর্মকর্তা। বর্তমানে তাঁরা দুজনেই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন সমর্থিক কুর্দি আস্তানায় আইআরজিসির হা/ম/লা

প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. মহিউদ্দিন আহমেদ আর নেই

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

রাজধানী ঢাকায় প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. মহিউদ্দিন আহমেদ আর বেঁচে নেই। গত শুক্রবার (তারিখ উল্লেখ করা হয়নি) ভোর ৫টা ১০ মিনিটে শ্যামলীর ঢাকা হাউজিংয়ের নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে।

ডা. মহিউদ্দিন আহমেদ ১৯৪৭ সালের ১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আশুগঞ্জ জিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের মরহুম আব্দুর রাজ্জাকের একমাত্র পুত্র ছিলেন।

কৃতিত্বের সঙ্গে ১৯৬৭ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পর তিনি সৌদি সরকারের অধীনে চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন এবং সেখানে মানবসেবামূলক চিকিৎসা কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখেন।

দেশে ফিরে ১৯৮৪ সাল থেকে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন এবং নিরলসভাবে মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।

ডা. মহিউদ্দিন আহমেদ তাঁর স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে এবং আট বোনসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর একমাত্র ছেলে নাসাদ আহমেদ সাফা একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন ডটকম-এ উচ্চপদে কর্মরত। তিনি একইসাথে একজন লেখক ও কবি হিসেবেও পরিচিত। তাঁর মেয়ে মারওয়া চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একজন কর্মকর্তা। বর্তমানে তাঁরা দুজনেই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।