কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপে কোস্টগার্ডের এক বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ ৯ জন মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে ৮ জনই বিভিন্ন রোহিঙ্গা আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দা। শনিবার মধ্যরাতে পরিচালিত এই অভিযানে প্রায় ৩ লাখ ১২ হাজার টাকা মূল্যের ১০ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন শনিবার বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে সেন্টমার্টিন স্টেশনের একটি আভিযানিক দল ছেঁড়াদ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের বোটকে সন্দেহজনক মনে হলে সেটিকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। তবে বোটটি সংকেত অমান্য করে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে কোস্টগার্ড সদস্যরা ধাওয়া করে সেটিকে আটক করতে সক্ষম হন।
পরে আটককৃত বোটটিতে তল্লাশি চালিয়ে আনুমানিক ৩ লাখ ১২ হাজার টাকা মূল্যের ১০ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে বোট থেকে ৯ জন মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযানে আটক হওয়া মাদক পাচারকারীরা হলেন— টেকনাফের থাইংখালী ৬নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ/৬ ব্লকের আবুল খালেকের ছেলে মো. তাহের (৬০), একই ব্লকের তাহেরের ছেলে তারেক আজিজ (২৩), শারুখ আজিজ (২৬) ও সোহানা আজিজ (১৪)। এছাড়াও আটক করা হয়েছে টেকনাফের লেদা ২৪নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জহির আহমদের ছেলে মো. হালিম (৩৬), থাইংখালী ক্যাম্পের মো. আমিনের ছেলে ওমর ফারুক (২৭), থাইংখালী ক্যাম্পের এ-৫ ব্লকের হামিদ হোসেনের ছেলে মো. সিদ্দিক (২২), থাইংখালী বি/৪ ব্লকের নুরু সালামের ছেলে আবদুল্লাহ (২৭) এবং টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মুশকিলিয়া পাড়ার আবদুল বারীর ছেলে সিরাজ মিয়া (৫৫)।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, মাদকের ভয়াল থাবা থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
রিপোর্টারের নাম 





















