ঢাকা ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

যে কারণে সৌদি আরবকে ধন্যবাদ দিলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত

ইরানে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনীকে আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে না দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সৌদি আরব। বিষয়টিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আলিরেজা এনায়েতি।

বার্তা সংস্থা এএফপির সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, আমরা সৌদি আরবের কাছ থেকে বারবার যা শুনেছি তার প্রশংসা করি। সৌদি আরব বলেছে, তাদের আকাশসীমা, জলসীমা বা ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেবে না।’

যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমিত করার কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সমর্থন দিয়েছিল রিয়াদ। তারা বরাবরই বলে এসেছে, ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য তাদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা কাউকে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।

তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরুর পর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। জবাব হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসসহ কিছু জ্বালানি-সম্পর্কিত স্থাপনাতেও হামলা হয়েছে।

ইরান বলেছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতেই কেবল লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। এর বাইরে অন্য কোনো স্থাপনায় তারা হামলা চালাচ্ছে না।

একের পর এক হামলার পর গত ১ মার্চ ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিল সৌদি সরকার। বৈঠকে উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ এলখেরেজি হামলার ঘটনায় সৌদি আরবের তীব্র অসন্তোষ ও নিন্দা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এলখেরেজি। নির্বিচারে হামলার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে বিপন্ন করে উল্লেখ করে এলখেরেজি বলেন, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সৌদি আরব সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আজকের টিভিতে যেসব ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন

যে কারণে সৌদি আরবকে ধন্যবাদ দিলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় : ০১:১৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ইরানে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনীকে আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে না দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সৌদি আরব। বিষয়টিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আলিরেজা এনায়েতি।

বার্তা সংস্থা এএফপির সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, আমরা সৌদি আরবের কাছ থেকে বারবার যা শুনেছি তার প্রশংসা করি। সৌদি আরব বলেছে, তাদের আকাশসীমা, জলসীমা বা ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেবে না।’

যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমিত করার কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সমর্থন দিয়েছিল রিয়াদ। তারা বরাবরই বলে এসেছে, ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য তাদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা কাউকে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।

তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরুর পর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। জবাব হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসসহ কিছু জ্বালানি-সম্পর্কিত স্থাপনাতেও হামলা হয়েছে।

ইরান বলেছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতেই কেবল লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। এর বাইরে অন্য কোনো স্থাপনায় তারা হামলা চালাচ্ছে না।

একের পর এক হামলার পর গত ১ মার্চ ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিল সৌদি সরকার। বৈঠকে উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ এলখেরেজি হামলার ঘটনায় সৌদি আরবের তীব্র অসন্তোষ ও নিন্দা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এলখেরেজি। নির্বিচারে হামলার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে বিপন্ন করে উল্লেখ করে এলখেরেজি বলেন, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সৌদি আরব সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।