ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

‘পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধে জড়ানোর অধিকার আপনাকে কে দিল?’ ট্রাম্পকে আমিরাতি ধনকুবেরের খোলা চিঠি

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের তীব্র সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একটি কড়া ভাষায় খোলা চিঠি দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও বিলিয়নিয়ার খালাফ আহমেদ আল হাবতুর। এই চিঠিতে তিনি মধ্যপ্রাচ্যকে একটি ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

চিঠিতে আল হাবতুর সরাসরি ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলার মতো এমন চূড়ান্ত ক্ষমতা তিনি কোথা থেকে পেলেন। প্রভাবশালী এই ব্যবসায়ী ট্রাম্পের নেওয়া এই বিপজ্জনক সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন।

আল হাবতুর তার চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে প্রশ্ন রাখেন, কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে এর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তিনি সঠিকভাবে নিরূপণ করেছেন কি না। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই উত্তেজনার ফলে যদি কোনো সংঘাত শুরু হয়, তবে তার প্রথম আঘাত এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি এই অঞ্চলের দেশগুলোকেই সইতে হবে। যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার কথা চিন্তা না করে এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরিণাম নিয়ে ভাবারও আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাপ ও হুমকির মুখে আলোচনায় বসবে না ইরান: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

‘পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধে জড়ানোর অধিকার আপনাকে কে দিল?’ ট্রাম্পকে আমিরাতি ধনকুবেরের খোলা চিঠি

আপডেট সময় : ১১:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের তীব্র সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একটি কড়া ভাষায় খোলা চিঠি দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও বিলিয়নিয়ার খালাফ আহমেদ আল হাবতুর। এই চিঠিতে তিনি মধ্যপ্রাচ্যকে একটি ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

চিঠিতে আল হাবতুর সরাসরি ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলার মতো এমন চূড়ান্ত ক্ষমতা তিনি কোথা থেকে পেলেন। প্রভাবশালী এই ব্যবসায়ী ট্রাম্পের নেওয়া এই বিপজ্জনক সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন।

আল হাবতুর তার চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে প্রশ্ন রাখেন, কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে এর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তিনি সঠিকভাবে নিরূপণ করেছেন কি না। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই উত্তেজনার ফলে যদি কোনো সংঘাত শুরু হয়, তবে তার প্রথম আঘাত এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি এই অঞ্চলের দেশগুলোকেই সইতে হবে। যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার কথা চিন্তা না করে এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরিণাম নিয়ে ভাবারও আহ্বান জানান তিনি।