ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

উত্তেজনার মধ্যেই ইরানে সীমিত পরিসরে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা

মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার হুমকির মুখে থাকা ইরান এবার তাদের স্থবির হয়ে পড়া প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে। তেহরান প্রদেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী রোববার থেকে সরকারি দপ্তর ও বিভিন্ন সংস্থায় সীমিত পরিসরে কাজ শুরু হবে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, তেহরানের সব মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা এবং নির্বাহী দপ্তরগুলোতে মাত্র ২০ শতাংশ কর্মী সরাসরি উপস্থিত থেকে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করবেন। তবে নারী কর্মীদের ক্ষেত্রে বিশেষ শিথিলতা আনা হয়েছে; তারা আপাতত কর্মস্থলে না এসে বাসা থেকে ভার্চুয়ালি নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রশাসনিক এই আংশিক খোলার তালিকায় কিছু ব্যাংকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে জরুরি ও জনগুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রদানকারী সংস্থা, পৌরসভা, চিকিৎসা কেন্দ্র এবং সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অপারেশনাল ইউনিটগুলো এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। অর্থাৎ, এই খাতগুলো তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

এদিকে, প্রশাসনের উচ্চপদস্থ ও ব্যবস্থাপনা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য কোনো বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়নি। নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের সব কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলকভাবে কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে কার্যক্রম তদারকি করতে বলা হয়েছে। মূলত আঞ্চলিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই জনবল কমিয়ে কার্যক্রম সচল করার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মহোৎসব: শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি ভারত ও নিউজিল্যান্ড

উত্তেজনার মধ্যেই ইরানে সীমিত পরিসরে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা

আপডেট সময় : ১১:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার হুমকির মুখে থাকা ইরান এবার তাদের স্থবির হয়ে পড়া প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে। তেহরান প্রদেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী রোববার থেকে সরকারি দপ্তর ও বিভিন্ন সংস্থায় সীমিত পরিসরে কাজ শুরু হবে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, তেহরানের সব মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা এবং নির্বাহী দপ্তরগুলোতে মাত্র ২০ শতাংশ কর্মী সরাসরি উপস্থিত থেকে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করবেন। তবে নারী কর্মীদের ক্ষেত্রে বিশেষ শিথিলতা আনা হয়েছে; তারা আপাতত কর্মস্থলে না এসে বাসা থেকে ভার্চুয়ালি নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রশাসনিক এই আংশিক খোলার তালিকায় কিছু ব্যাংকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে জরুরি ও জনগুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রদানকারী সংস্থা, পৌরসভা, চিকিৎসা কেন্দ্র এবং সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অপারেশনাল ইউনিটগুলো এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। অর্থাৎ, এই খাতগুলো তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

এদিকে, প্রশাসনের উচ্চপদস্থ ও ব্যবস্থাপনা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য কোনো বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়নি। নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের সব কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলকভাবে কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে কার্যক্রম তদারকি করতে বলা হয়েছে। মূলত আঞ্চলিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই জনবল কমিয়ে কার্যক্রম সচল করার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।