ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ বনাম রণতৎপরতা: ট্রাম্পের নির্দেশে ৮ দেশে মার্কিন সামরিক অভিযান

নিজেকে বরাবরই ‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে দাবি করে এলেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলের বাস্তব চিত্র ছিল বেশ ভিন্ন। হোয়াইট হাউসে থাকাকালীন তাঁর নির্দেশে বিশ্বের অন্তত আটটি দেশে মার্কিন সামরিক হামলা বা বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যালোচনায় ট্রাম্পের এই যুদ্ধংদেহী ভূমিকার তথ্য উঠে এসেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ওপর মার্কিন হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যে অস্থিরতা ও বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তার সূত্র ধরেই ট্রাম্প প্রশাসনের অতীত সামরিক পদক্ষেপগুলো নিয়ে নতুন করে কাটাছেঁড়া শুরু হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প তাঁর চার বছরের মেয়াদে ইরান, ইরাক, সিরিয়া, সোমালিয়া, ইয়েমেন, নাইজেরিয়া এবং ভেনেজুয়েলায় সরাসরি সামরিক অভিযান বা হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এছাড়া কিছু প্রতিবেদনে লিবিয়ার ওপর মার্কিন অভিযানের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে, যা মিলিয়ে মোট আক্রান্ত দেশের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আটটিতে।

বিশ্ব রাজনীতির বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে শান্তির বুলি আওড়ানো আর অন্যদিকে একের পর এক দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ—ট্রাম্পের এই দ্বিমুখী অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ বিতর্কিত। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ইরান সংকটের পর তাঁর এসব সামরিক পদক্ষেপের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন অনেক বিশেষজ্ঞ। যুদ্ধবিরোধী প্রচারণার আড়ালে ট্রাম্পের এমন রণকৌশল বিশ্বজুড়ে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আরব সাগরে ইরানের জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ আটক করল যুক্তরাষ্ট্র

‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ বনাম রণতৎপরতা: ট্রাম্পের নির্দেশে ৮ দেশে মার্কিন সামরিক অভিযান

আপডেট সময় : ১১:০৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

নিজেকে বরাবরই ‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে দাবি করে এলেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলের বাস্তব চিত্র ছিল বেশ ভিন্ন। হোয়াইট হাউসে থাকাকালীন তাঁর নির্দেশে বিশ্বের অন্তত আটটি দেশে মার্কিন সামরিক হামলা বা বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যালোচনায় ট্রাম্পের এই যুদ্ধংদেহী ভূমিকার তথ্য উঠে এসেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ওপর মার্কিন হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যে অস্থিরতা ও বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তার সূত্র ধরেই ট্রাম্প প্রশাসনের অতীত সামরিক পদক্ষেপগুলো নিয়ে নতুন করে কাটাছেঁড়া শুরু হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প তাঁর চার বছরের মেয়াদে ইরান, ইরাক, সিরিয়া, সোমালিয়া, ইয়েমেন, নাইজেরিয়া এবং ভেনেজুয়েলায় সরাসরি সামরিক অভিযান বা হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এছাড়া কিছু প্রতিবেদনে লিবিয়ার ওপর মার্কিন অভিযানের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে, যা মিলিয়ে মোট আক্রান্ত দেশের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আটটিতে।

বিশ্ব রাজনীতির বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে শান্তির বুলি আওড়ানো আর অন্যদিকে একের পর এক দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ—ট্রাম্পের এই দ্বিমুখী অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ বিতর্কিত। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ইরান সংকটের পর তাঁর এসব সামরিক পদক্ষেপের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন অনেক বিশেষজ্ঞ। যুদ্ধবিরোধী প্রচারণার আড়ালে ট্রাম্পের এমন রণকৌশল বিশ্বজুড়ে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।