জনগণের প্রতি আইনি সুরক্ষা, ন্যায়বিচার ও সদাচরণের বার্তা নিয়ে মাঠে নামার জন্য পুলিশ সদস্যদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পুলিশ সদস্যদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন লালন করা অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমেই নৈতিকতা ও সদাচরণ বিকশিত হবে। আইজিপি আরও উল্লেখ করেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম এবং পুলিশ বাহিনী সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
গত শুক্রবার (৬ মার্চ) বাদ জুমা রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আয়োজিত পুলিশের বার্ষিক আজান, কেরাত ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর অতিরিক্ত আইজিপি কাজী মো. ফজলুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে আইজিপি বিজয়ী প্রতিযোগীদের হাতে ক্রেস্ট, সনদপত্র ও পুরস্কার তুলে দেন।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজান প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম জেলার কনস্টেবল মো. মনিরুল ইসলাম প্রথম স্থান অধিকার করেন। দ্বিতীয় হন ৩ এপিবিএন’র নায়েক আবু মুসা এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন আরএমপি, রাজশাহীর এএসআই (সশস্ত্র) মো. ওমর ফারুক।
কেরাত প্রতিযোগিতায় কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগের লিনেন কিপার মো. আব্দুল আউয়াল প্রথম হন। দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন ৩ এপিবিএন’র নায়েক আবু মুসা এবং ময়মনসিংহ রেঞ্জ অফিসের কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম তৃতীয় হন।
হামদ ও নাত পরিবেশনায় ১১ এপিবিএন’র নারী কনস্টেবল নাদিয়া নাছরিন নূপুর প্রথম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নায়েক মো. রাকিবুল ইসলাম দ্বিতীয় এবং বিএমপি, বরিশালের কনস্টেবল এস এম মশিউর রহমান তৃতীয় স্থান অধিকার করেন।
‘নাগরিক হয়রানি বন্ধে ইসলাম’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় হবিগঞ্জ জেলার কনস্টেবল জুনায়েদ বিন মর্তুজা প্রথম হন। ৪ এপিবিএন’র কনস্টেবল আ ম মো. উমর ফারুক বায়েজিদ দ্বিতীয় এবং আরআরএফ, রংপুরের নারী কনস্টেবল মোছা. এসমোতারা খাতুন তৃতীয় স্থান লাভ করেন।
উল্লেখ্য, পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরাই ঢাকায় চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
রিপোর্টারের নাম 























