ঢাকা ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

তেহরানে ইসরায়েলের বিধ্বংসী বিমান হামলা: লক্ষ্যবস্তু প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ও নিরাপত্তা কাউন্সিল

ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে সরাসরি বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এই অভিযানে দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ) ভবনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তেল আবিব।

মঙ্গলবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, তাদের বিমানবাহিনী তেহরানের অত্যন্ত সুরক্ষিত এলাকায় ইরানি শাসকগোষ্ঠীর শীর্ষ নেতাদের প্রশাসনিক কমপ্লেক্সের ওপর এই হামলা পরিচালনা করেছে। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনে স্থাপনাগুলো ধ্বংস করার দাবি করেছে তারা।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলার সময় প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ভবনের ওপর বিপুল পরিমাণ শক্তিশালী গোলাবারুদ ও মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, ইরানের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামোটি তাদের অভিযানের প্রধান লক্ষ্য ছিল।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের প্রাণকেন্দ্রে এই হামলার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার চলমান সংঘাত এক নতুন ও চরম উত্তেজনাকর মোড় নিল। তবে এই হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এই আক্রমণ সংঘাতের মাত্রা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রমিকদের বেতন নিশ্চিত করতে বিশেষ ঋণ সুবিধার দ্বার উন্মোচন

তেহরানে ইসরায়েলের বিধ্বংসী বিমান হামলা: লক্ষ্যবস্তু প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ও নিরাপত্তা কাউন্সিল

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে সরাসরি বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এই অভিযানে দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ) ভবনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তেল আবিব।

মঙ্গলবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, তাদের বিমানবাহিনী তেহরানের অত্যন্ত সুরক্ষিত এলাকায় ইরানি শাসকগোষ্ঠীর শীর্ষ নেতাদের প্রশাসনিক কমপ্লেক্সের ওপর এই হামলা পরিচালনা করেছে। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনে স্থাপনাগুলো ধ্বংস করার দাবি করেছে তারা।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলার সময় প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ভবনের ওপর বিপুল পরিমাণ শক্তিশালী গোলাবারুদ ও মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, ইরানের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামোটি তাদের অভিযানের প্রধান লক্ষ্য ছিল।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের প্রাণকেন্দ্রে এই হামলার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার চলমান সংঘাত এক নতুন ও চরম উত্তেজনাকর মোড় নিল। তবে এই হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এই আক্রমণ সংঘাতের মাত্রা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।