গতকাল পারস্য উপসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি রণতরীতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলায় বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন বলে প্রাথমিক খবরে জানা গেছে। আকস্মিক এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুন করে উত্তপ্ত করে তুলেছে এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গতকাল (তারিখ উল্লেখ থাকলে ভালো হতো, যেহেতু নেই তাই ‘গতকাল’ ব্যবহার করা হলো) ভোরে মার্কিন রণতরীটি নিয়মিত টহলরত অবস্থায় থাকাকালীন হামলার শিকার হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়েছে, যা রণতরীর উল্লেখযোগ্য ক্ষতি সাধন করেছে। হামলার পরপরই মার্কিন নৌবাহিনী দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে এবং আহত সেনাদের স্থানীয় সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে হতাহতের সঠিক সংখ্যা বা রণতরীর ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত বিবরণ এখনো মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
ইরানের পক্ষ থেকে এখনো এই হামলার দায় স্বীকার করা হয়নি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি নিয়ে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) একাধিকবার কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছিল। এই হামলা সেই হুঁশিয়ারিরই ফলশ্রুতি কিনা, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা চলছে।
হামলার ঘটনাটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে উভয় পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি। এটি কেবল দুই দেশের মধ্যে সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি বাড়াবে না, বরং বিশ্ব অর্থনীতি, বিশেষ করে জ্বালানি তেলের বাজারেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















