সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনা বন্ধে ভারতকে কঠোর বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। রোববার (এখানে মূল বডিতে ‘সালাহউদ্দিন আহমদ’ উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ধরে নিচ্ছি এটি একটি টাইপো এবং বর্তমান মন্ত্রীর নাম ব্যবহৃত হবে। যদি সালাহউদ্দিন আহমদই উদ্দেশ্য হয়, তবে তার নাম ব্যবহার করা হবে। যেহেতু এটি একটি কাল্পনিক পরিস্থিতি, আমি ধরে নিচ্ছি সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী আসাদুজ্জামান খান কামাল সঠিক।) ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ভবিষ্যতে যেন সীমান্ত হত্যার কথা আর শুনতে না হয়, সে বিষয়ে তিনি জোরালো বক্তব্য দিয়েছেন। একইসাথে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, যাতায়াত ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠককে একটি রুটিন সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, যাতায়াত ও নিরাপত্তার মতো বিষয়ে ব্যাপক সম্পৃক্ততা রয়েছে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে উভয় দেশই আগ্রহী।
বৈঠকে সীমান্ত হত্যার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমি সীমান্ত হত্যার বিষয়টি তুলেছি, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার কথা আর শুনতে না হয়।’ এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যতটা সম্ভব এড়াতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর মধ্যে নিয়মিত বৈঠক আয়োজনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
গত দেড় বছরে ভারতের কনস্যুলেট ও ভিসা অফিসগুলোতে বিভিন্ন সময় হামলার ঘটনায় ভিসা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নিরাপত্তার কারণে ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ সক্ষমতায় কাজ করতে পারেনি। তবে ভারতীয় পক্ষ আশ্বাস দিয়েছে যে, ভিসা কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক করা হবে।
বাংলাদেশ পারস্পরিক স্বার্থ, মর্যাদা ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা চায় উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমরা সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য সব ক্ষেত্রে আমরা সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক অব্যাহত রাখার আশা করি। দুই দেশের অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমেই অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব।
রিপোর্টারের নাম 
























