পাল্লেকেলেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ৫ রানের জয় পেয়েছে পাকিস্তান। সাহিবজাদা ফারহানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও ফখর জামানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে রানের পাহাড় গড়েও সেমিফাইনালে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হয়নি বাবর আজমদের। বরং, রানরেটের জটিল সমীকরণে হেরে সুপার এইট থেকেই বিদায় ঘণ্টা বেজেছে দলটির।
আগে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটিতে আসে পরিবর্তন। সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামান মিলে গড়েন ১৭৬ রানের বিশাল জুটি। এই আসরে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ফারহান থামেন ঠিক ১০০ রানে। ফখর জামানও খেলেন ৮৪ রানের এক ঝলমলে ইনিংস। উদ্বোধনী জুটির ওই দারুণ শুরুর পর মনে হচ্ছিল, পাকিস্তান গড়তে চলেছে আরও বড় সংগ্রহ। কিন্তু তাদের বিদায়ের পর পরই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দলটি। বাকি ব্যাটাররা আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দিলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২১২ রানে থামে পাকিস্তানের ইনিংস। শ্রীলঙ্কার পক্ষে দিলশান মাদুশঙ্কা ৩৩ রানে ৩টি এবং দাসুন শানাকা ৪২ রানে ২টি উইকেট শিকার করেন।
২১৩ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওপেনার কামিল মিশারা ২৬ রান করে দ্রুত বিদায় নেন। তবে মিডল অর্ডারে পাভান রত্নানায়েকের ২৮ বলে ৫৬ রানের ঝড়ো ইনিংস এবং শেষদিকে দাসুন শানাকার মাত্র ৩১ বলে ৭৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে জয়ের কাছাকাছি চলে আসে শ্রীলঙ্কা। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে ২০৭ রানে থামে তাদের ইনিংস। পাকিস্তানের হয়ে আবরার আহমেদ ২৩ রানে ৩টি উইকেট শিকার করেন।
বড় পুঁজি নিয়েও পাকিস্তানের সেমিফাইনালে ওঠার সমীকরণ ছিল বেশ কঠিন। রানরেটের ব্যবধান কমিয়ে আনতে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানের মধ্যে অলআউট করতে হতো। কিন্তু লঙ্কান ব্যাটাররা সেই পথে হাঁটতে দেননি। ফলে ৫ রানের জয় পেলেও সুপার এইট থেকেই বিদায় নিশ্চিত হয় পাকিস্তানের। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন সাহিবজাদা ফারহান।
রিপোর্টারের নাম 





















