রাজধানীর রমনা এলাকা থেকে অপহৃত এক স্কুলছাত্রকে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের সরাসরি হস্তক্ষেপে দ্রুত উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত চার অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তানভীর আহমেদ ওরফে ফাহিম (২৪), ইফফাত ইয়ামিন লিখন (২৩), হাসান আল বান্না ওরফে হাসান (২০) ও মুস্তাকিমুর রহমান ওরফে কুঞ্জ (২১) নামের এই চারজনকে গ্রেপ্তার করে রমনা মডেল থানা পুলিশ।
রমনা মডেল থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে রমনা মডেল থানাধীন সিদ্ধেশ্বরীস্থ শান্তিনগরের মোড়ে আল মদিনা প্যালেসের বাটা শোরুমের সামনে থেকে স্কুলছাত্র আফনান সাঈদকে কৌশলে অপহরণ করা হয়। অপহরণকারীরা তাকে চামেলিবাগস্থ নির্মাণাধীন একটি ১০ তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যায়। সেখানে তারা আফনানের ব্যবহৃত ফোনের মাধ্যমে তার মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে তার বাবাকেও বিকাশ নম্বরে ফোন করে মুক্তিপণের টাকা চেয়ে চাপ দেয় এবং টাকা না দিলে আফনানকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
উপায়ন্তর না দেখে ভিকটিমের বাবা, যিনি সচিবালয়ে কর্মরত, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুততার সাথে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অপহৃত স্কুলছাত্রকে উদ্ধারের জন্য নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পর রমনা মডেল থানা পুলিশ দ্রুত স্কুলছাত্রকে উদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ শুরু করে। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে উল্লিখিত চার অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। একইসঙ্গে অপহৃত স্কুলছাত্র আফনান সাঈদকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা এর আগেও অন্তত ছয়টি অপহরণের ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তারা পরস্পর যোগসাজশে ডিজিটাল মাধ্যমে প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইলিং এবং অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করতো। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
রিপোর্টারের নাম 
























