আসন্ন ঈদযাত্রায় সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অবৈধ চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, সড়ক খাতে জবাবদিহিতা আনতে মন্ত্রণালয় বদ্ধপরিকর এবং অবৈধ চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী জানান, মন্ত্রণালয় নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে এবং পরিবহন তত্ত্বাবধানে মনোযোগী। তিনি বলেন, ‘আমরা নিরাপদ সড়ক রাখতে চাই। যেখানে ব্যত্যয় হচ্ছে, সেখানে জবাবদিহিতা আনার চেষ্টা করছি। এটা আমাদের অঙ্গীকার।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সড়ক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনতে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
চাঁদাবাজি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘আমি তো মসজিদ কমিটিতে চাঁদা দিই, রিহ্যাবের সদস্য হিসেবে প্রতিবছর চাঁদা দিই, দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবেও আমাকে চাঁদা দিতে হয়। এগুলোকে কি আপনারা অবৈধ বলবেন?’ তিনি স্পষ্ট করেন যে, ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক কল্যাণে দেওয়া চাঁদা এবং অবৈধভাবে আদায় করা চাঁদার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
ঢাকায় ট্রাক থামিয়ে যে চাঁদা নেওয়া হয়, তা বৈধ কি না—এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি তো সেটা বলছি না। তবে নিজেদের কল্যাণে ট্রাক মালিক সমিতি যে টাকাটা নেয়, সেটা বৈধ। কিন্তু যারা পথে অবৈধভাবে টাকা নেবে, সেটা তো অবৈধ।’ তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণসহ কোথাও অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ও কঠোর পদক্ষেপ নিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না।
ঈদযাত্রায় যাত্রীদের স্বস্তি নিশ্চিত করতে নতুন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নে মন্ত্রী জানান, বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন না এলেও, বিদ্যমান ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে জোর দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সফলভাবে ঈদযাত্রা সম্পন্ন করতে চাই। আমাদের পরিবহন খাতে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি, আমাদের জীবনযাত্রার মানেরও কোনো পরিবর্তন হয়নি। তবে যাত্রীর সঙ্গে যথাযথভাবে কার্যকর হয়, সে বিষয়ে জোরালো ভূমিকা রাখছি।’
রিপোর্টারের নাম 


















