কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে আসন্ন ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের বড় জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। দেশের বৃহত্তম এই ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন।
রোববার বিকেলে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ প্রস্তুতি সভায় এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন ঈদ জামাতকে ঘিরে নেওয়া কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল হাসান মারুফের সঞ্চালনায় সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
প্রস্তুতি সভায় ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে মুসল্লিদের যাতায়াত ব্যবস্থা, মাঠের সংস্কার ও সাজসজ্জা, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ নির্ধারণ, জরুরি চিকিৎসা সেবা এবং সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সময়মতো নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
ঐতিহাসিক এই ময়দানে প্রতিবছর দেশ-বিদেশের লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করতে সমবেত হন। এবারও যেন মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নামাজ আদায় করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 




















