মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে একটি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে উপনীত না হলে সামরিক হামলার সম্মুখীন হতে হবে তেহরানকে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক শান্তি বোর্ডের উদ্বোধনী সভায় তিনি এই হুমকি প্রদান করেন।
ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যে গত বছরের জুনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে দাবি করেন যে, এই পদক্ষেপই গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করেছিল। তিনি আরও বলেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ না হলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা কঠিন হতো।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমরা হয়তো আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে পারি, অথবা নাও যেতে পারি। সম্ভবত আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাবো। আগামী প্রায় দশ দিনের মধ্যেই এটি স্পষ্ট হয়ে যাবে।”
এই পরিস্থিতিতে ইরানও পাল্টা জবাব দিয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত আন্তোনিও গুতেরেসকে লেখা এক চিঠিতে জানিয়েছেন, যদি ইরানে হামলা চালানো হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সকল সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানা হবে। ইরান যুদ্ধ চায় না বলে উল্লেখ করলেও, নিজেদের ওপর আক্রমণ হলে তার সমুচিত জবাব দেওয়া হবে এবং এর সম্পূর্ণ দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই বর্তাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
অন্যদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে ইরানে সীমিত আকারে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। এই হামলার প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তু হতে পারে সরকারি ভবন ও নিরাপত্তা বাহিনীর অবকাঠামো, যার উদ্দেশ্য হবে ইরানকে পারমাণবিক চুক্তি সম্পাদনে চাপ সৃষ্টি করা। এরপরেও যদি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে চুক্তি না করে, তবে ব্যাপক আকারে হামলা চালানো হবে, যার চূড়ান্ত লক্ষ্য হবে দেশটির বর্তমান সরকারের পতন ঘটানো।
রিপোর্টারের নাম 























