ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

সারায়েভোর আকাশে কামানের গর্জন: উসমানীয় ঐতিহ্যে রমজানকে স্বাগত জানাল বসনিয়া

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র রমজান মাসকে স্বাগত জানাতে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবারও বেছে নিয়েছে শতাব্দীপ্রাচীন এক ঐতিহ্যবাহী প্রথা। রাজধানী সারায়েভোর ঐতিহাসিক হলুদ দুর্গ থেকে কামানের গোলা ছুড়ে শুরু হলো রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের এই মাস। উসমানীয় সাম্রাজ্যের সময় থেকে চলে আসা এই রীতিতে রমজানের আগমন যেন এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে বসনিয়ার সংস্কৃতিতে।

বুধবার সন্ধ্যায় ইফতারের ঠিক আগে সারায়েভোর বিখ্যাত হলুদ দুর্গের চূড়া থেকে কামানের গোলা নিক্ষেপ করা হয়। এই গোলা নিক্ষেপের মধ্য দিয়ে কেবল রমজানের আগমনী বার্তাই দেওয়া হয় না, বরং এটি হয়ে ওঠে এক উৎসবের সূচনা। কামানের গর্জন শোনার জন্য পুরনো শহর বাশচারশিয়ার পাথুরে সরু পথগুলোতে ভিড় জমায় শত শত শিশু ও তাদের পরিবার। হাতে রঙিন বেলুন নিয়ে তারা শোভাযাত্রা করে দুর্গের দিকে এগিয়ে যায়। শিশুদের উচ্ছ্বাস আর আনন্দঘন কলরবে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা, যা এই প্রাচীন ঐতিহ্যকে আরও জীবন্ত করে তোলে। এটি যেন কেবল একটি প্রথা নয়, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এক আবেগ ও বিশ্বাসের প্রতিচ্ছবি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই ফাউন্ডেশনের সংকট: এমপিদের বেতন প্রদানের আহ্বানে নূরের সংহতি

সারায়েভোর আকাশে কামানের গর্জন: উসমানীয় ঐতিহ্যে রমজানকে স্বাগত জানাল বসনিয়া

আপডেট সময় : ০৫:১১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসকে স্বাগত জানাতে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবারও বেছে নিয়েছে শতাব্দীপ্রাচীন এক ঐতিহ্যবাহী প্রথা। রাজধানী সারায়েভোর ঐতিহাসিক হলুদ দুর্গ থেকে কামানের গোলা ছুড়ে শুরু হলো রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের এই মাস। উসমানীয় সাম্রাজ্যের সময় থেকে চলে আসা এই রীতিতে রমজানের আগমন যেন এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে বসনিয়ার সংস্কৃতিতে।

বুধবার সন্ধ্যায় ইফতারের ঠিক আগে সারায়েভোর বিখ্যাত হলুদ দুর্গের চূড়া থেকে কামানের গোলা নিক্ষেপ করা হয়। এই গোলা নিক্ষেপের মধ্য দিয়ে কেবল রমজানের আগমনী বার্তাই দেওয়া হয় না, বরং এটি হয়ে ওঠে এক উৎসবের সূচনা। কামানের গর্জন শোনার জন্য পুরনো শহর বাশচারশিয়ার পাথুরে সরু পথগুলোতে ভিড় জমায় শত শত শিশু ও তাদের পরিবার। হাতে রঙিন বেলুন নিয়ে তারা শোভাযাত্রা করে দুর্গের দিকে এগিয়ে যায়। শিশুদের উচ্ছ্বাস আর আনন্দঘন কলরবে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা, যা এই প্রাচীন ঐতিহ্যকে আরও জীবন্ত করে তোলে। এটি যেন কেবল একটি প্রথা নয়, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এক আবেগ ও বিশ্বাসের প্রতিচ্ছবি।