ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টকে যাবজ্জীবন: সামরিক শাসন জারির ষড়যন্ত্রে দোষী সাব্যস্ত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ক্ষমতা অপব্যবহার এবং ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক শাসন জারির পরিকল্পনায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।

আদালতের রায়ে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সাবেক এই প্রেসিডেন্ট তার পদের অপব্যবহার করে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলেছিলেন এবং একটি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সামরিক শাসন জারির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। এই গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

মামলা চলাকালীন প্রসিকিউটররা ইউন সুক ইওলের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি, অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ডের আবেদন জানিয়েছিলেন। দক্ষিণ কোরিয়ার আইন অনুযায়ী, বিদ্রোহ বা রাষ্ট্রদ্রোহের মূল পরিকল্পনাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। তবে, দেশটি সবশেষ ২০১৬ সালে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলেও, ১৯৯৭ সাল থেকে কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেনি, যা দেশটির বিচার ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য দিক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই ফাউন্ডেশনের সংকট: এমপিদের বেতন প্রদানের আহ্বানে নূরের সংহতি

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টকে যাবজ্জীবন: সামরিক শাসন জারির ষড়যন্ত্রে দোষী সাব্যস্ত

আপডেট সময় : ০২:২১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ক্ষমতা অপব্যবহার এবং ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক শাসন জারির পরিকল্পনায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।

আদালতের রায়ে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সাবেক এই প্রেসিডেন্ট তার পদের অপব্যবহার করে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলেছিলেন এবং একটি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সামরিক শাসন জারির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। এই গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

মামলা চলাকালীন প্রসিকিউটররা ইউন সুক ইওলের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি, অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ডের আবেদন জানিয়েছিলেন। দক্ষিণ কোরিয়ার আইন অনুযায়ী, বিদ্রোহ বা রাষ্ট্রদ্রোহের মূল পরিকল্পনাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। তবে, দেশটি সবশেষ ২০১৬ সালে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলেও, ১৯৯৭ সাল থেকে কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেনি, যা দেশটির বিচার ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য দিক।