সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সত্ত্বেও নিজেদের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট প্রদত্ত ভোটের ৩৮.৫০ শতাংশ অর্জন করেছে, যা একটি ‘বিশাল ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ জনরায়’ বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। গত রবিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে গণমাধ্যমের ‘খণ্ডিত উপস্থাপনা’ দেখে হতাশ বা বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।
ডা. শফিকুর রহমান তার পোস্টে উল্লেখ করেন, প্রায় ৭ কোটি প্রদত্ত ভোটের মধ্যে জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট প্রায় ২ কোটি ৮৮ লাখ নাগরিকের আস্থা অর্জন করেছে। তিনি এটিকে দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের আত্মপ্রকাশের ইঙ্গিত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, এই পরিসংখ্যান একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করে।
জামায়াত আমির বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে মাত্র দুটি আসন পাওয়ার পর আজ কোটি কোটি মানুষের সমর্থন তাদের প্রতি জনআস্থার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে, যা একটি ‘ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রার শুরু’। তিনি মনে করেন, দেশের প্রায় অর্ধেক ভোটার সংস্কার, জবাবদিহি এবং নীতিভিত্তিক রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক পরিপক্বতা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এখন সময় এসেছে সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করার। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্বাচনে জনগণের আরও ব্যাপকভিত্তিক আস্থা অর্জনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার নির্দেশনা দেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান আরও জানান, তারা তাদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবেন, দলীয় ঐক্যকে সুদৃঢ় করবেন এবং সুস্পষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবেন। তিনি বলেন, ত্যাগ ও পরিশ্রমের কারণে সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ তাদের জন্য অপেক্ষা করছে এবং আল্লাহ তাদের পরিপূর্ণ বিজয় দান করবেন।
রিপোর্টারের নাম 

























