জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, সৌজন্যবোধ থেকেই নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, “আমরা মনে করি, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এটি পরিবর্তনের ইঙ্গিত।” রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বেইলি রোডে নাহিদ ইসলামের বাসায় তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার বলেন, “রাজনৈতিক মতভিন্নতা সত্ত্বেও কীভাবে এর বাইরে গিয়ে একত্রে দেশের জন্য কাজ করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যদিও কয়েকটি আসনের নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে এনসিপির প্রশ্ন রয়েছে। এরপরও তারেক রহমান যে রাজনৈতিক সৌজন্যবোধের জায়গা থেকে সাক্ষাতে এসেছিলেন, এই রাজনৈতিক সৌজন্যকে আমরা সাধুবাদ জানাই। তার জয়ী হয়ে আসাকে আমরা অভিনন্দন জানাই।”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সংস্কারের যে প্রশ্ন, সেই প্রশ্নকে কীভাবে সুরাহা করা যায় এবং বিচারের যে প্রশ্ন— সেই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা নিজেদের মধ্যে কথা বলেছি। আমরা মনে-প্রাণে চাই— এই বাংলাদেশ রাষ্ট্রে আমাদের রাজনৈতিক মতভিন্নতা থাকবে। রাজনৈতিক কর্মসূচি আলাদা হবে। রাজনৈতিক বক্তব্য আলাদা হবে। কিন্তু দেশের প্রশ্নে সব রাজনৈতিক দল একত্রিত থেকে বাংলাদেশের প্রশ্নে সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করতে পারবো। সে ধরনের একটা পরিবেশ বাংলাদেশে অটুট থাকবে। সেটাই আমাদের প্রত্যাশার জায়গা।”
আখতার জানান, তারেক রহমানকে নাহিদ ইসলামের বাসায় পৌঁছলে তাকে শাপলা কলির কাঠামো উপহার দেওয়া হয়। তিনি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে তা গ্রহণ করেন।
সাক্ষাতে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বন্ধে বিএনপির পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২৪ এর অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এনসিপি বিএনপির নেতৃত্বে অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকারে থাকবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আলোচনা হয়নি।”
ব্রিফিংয়ে আখতার ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব ও উত্তরাঞ্চলীয় মূখ্য সংগঠক সার্জিস আলম।
রিপোর্টারের নাম 






















