ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

রাজধানীতে ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় স্ত্রীর পরিবারের ধাওয়ায় ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শহিদুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যুর অভেযোগ উঠেছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কলাবাগান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শহিদুল ইসলামের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের হাসি (১৪) নামে এক কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১১ ফেব্রুয়ারি তারা নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়ে ঢাকা আসে এবং কলাবাগানে শহিদুলের বড় ভাই রফিকুল ইসলামের বাসায় ওঠে। পরে রফিকুল ইসলাম তাদের উভয়ের সম্মতিতে বিয়ের ব্যবস্থা করেন।

তিনি আরও বলেন, বিয়ের খবর পেয়ে মেয়ের পরিবার রফিকুলের বাসার নিচে এসে অবস্থান নেয়। শনিবার শহিদুল বাসার নিচে নামলে মেয়ের পরিবারের সদস্যদের দেখতে পান। এ সময় ‘খালু শ্বশুর’ পিছু নিলে শহিদুল ভবনের সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠতে থাকেন। এক পর্যায়ে লাফ দিয়ে পাশের একটি ভবনে যান। পরে দ্বিতীয় ভবনটি পার হওয়ার সময় নিচে পড়ে তার মৃত্যু হয়।

এসআই জানান, খবর পেয়ে শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। রবিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তিনি আরও জানান, ফেসবুকে হাসির সঙ্গে শহিদুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। মেয়ের বয়স কম হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শহিদুল ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থানার দক্ষিণ মাঝপাড়া গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে। তিনি কলাবাগান থানার কাঁঠালবাগান এলাকায় বড় ভাইয়ের সঙ্গে একটি বাসায় থাকতেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের প্রেসিডেন্টের

রাজধানীতে ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:২৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় স্ত্রীর পরিবারের ধাওয়ায় ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শহিদুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যুর অভেযোগ উঠেছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কলাবাগান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শহিদুল ইসলামের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের হাসি (১৪) নামে এক কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১১ ফেব্রুয়ারি তারা নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়ে ঢাকা আসে এবং কলাবাগানে শহিদুলের বড় ভাই রফিকুল ইসলামের বাসায় ওঠে। পরে রফিকুল ইসলাম তাদের উভয়ের সম্মতিতে বিয়ের ব্যবস্থা করেন।

তিনি আরও বলেন, বিয়ের খবর পেয়ে মেয়ের পরিবার রফিকুলের বাসার নিচে এসে অবস্থান নেয়। শনিবার শহিদুল বাসার নিচে নামলে মেয়ের পরিবারের সদস্যদের দেখতে পান। এ সময় ‘খালু শ্বশুর’ পিছু নিলে শহিদুল ভবনের সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠতে থাকেন। এক পর্যায়ে লাফ দিয়ে পাশের একটি ভবনে যান। পরে দ্বিতীয় ভবনটি পার হওয়ার সময় নিচে পড়ে তার মৃত্যু হয়।

এসআই জানান, খবর পেয়ে শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। রবিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তিনি আরও জানান, ফেসবুকে হাসির সঙ্গে শহিদুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। মেয়ের বয়স কম হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শহিদুল ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থানার দক্ষিণ মাঝপাড়া গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে। তিনি কলাবাগান থানার কাঁঠালবাগান এলাকায় বড় ভাইয়ের সঙ্গে একটি বাসায় থাকতেন।