ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ছেলের পরাজয়ে কারচুপির অভিযোগ তুলে সরব কর্নেল অলি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের (বীরবিক্রম) ছেলে ও দলের প্রার্থী ওমর ফারুকের পরাজয় নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন তিনি। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদের কাছে ১ হাজার ২৬ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন ওমর ফারুক। বেসরকারি ফলাফলে জসিম উদ্দিন আহমেদ ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, যেখানে ওমর ফারুক পান ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।

ছেলের এই পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় কর্নেল অলি নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, হাশিমপুর তরুণ সংঘ স্কুল, হাশিমপুর বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দোহাজারী আবদুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৪টার পর বহিরাগতদের প্রবেশ করে জোরপূর্বক ব্যালট বাক্সে ভোট দেওয়ার ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার দলের নেতা-কর্মীদের দুপুর আড়াইটা থেকে তিনটার পর কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করতে বাধা দেয় এবং মারধর করে বের করে দেয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

কর্নেল অলির ভাষ্যমতে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদ ৬-৭টি মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেছেন এবং সন্ধ্যার আগে-পরে প্রায় ৩০-৪০টি গাড়ির বহর নিয়ে উপজেলা সদরে মিছিল করেছেন। তিনি আরও বলেন, এসব সময় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এছাড়াও, তিনি অভিযোগ করেন যে তার ছেলে ওমর ফারুকের প্রায় সাড়ে চার হাজার ভোট সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বাতিল করা হয়েছে, যদিও এজেন্টরা এর চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। কর্নেল অলির মতে, পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়াটি ছিল ‘পরিকল্পিতভাবে’ পরিচালিত।

এই পরিস্থিতিতে, তিনি তার সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন যে কারো সঙ্গে বিবাদে জড়ানোর প্রয়োজন নেই। তিনি প্রশাসনের কাছে এলাকায় টহল জোরদার করার দাবি জানান। একইসঙ্গে, তিনি মন্তব্য করেন যে এক থেকে দেড় হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হওয়া অন্যান্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীদের বিনামূল্যে ইনসুলিন দেওয়ার দাবি অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খানের

ছেলের পরাজয়ে কারচুপির অভিযোগ তুলে সরব কর্নেল অলি

আপডেট সময় : ১০:১৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের (বীরবিক্রম) ছেলে ও দলের প্রার্থী ওমর ফারুকের পরাজয় নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন তিনি। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদের কাছে ১ হাজার ২৬ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন ওমর ফারুক। বেসরকারি ফলাফলে জসিম উদ্দিন আহমেদ ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, যেখানে ওমর ফারুক পান ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।

ছেলের এই পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় কর্নেল অলি নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, হাশিমপুর তরুণ সংঘ স্কুল, হাশিমপুর বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দোহাজারী আবদুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৪টার পর বহিরাগতদের প্রবেশ করে জোরপূর্বক ব্যালট বাক্সে ভোট দেওয়ার ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার দলের নেতা-কর্মীদের দুপুর আড়াইটা থেকে তিনটার পর কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করতে বাধা দেয় এবং মারধর করে বের করে দেয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

কর্নেল অলির ভাষ্যমতে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদ ৬-৭টি মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেছেন এবং সন্ধ্যার আগে-পরে প্রায় ৩০-৪০টি গাড়ির বহর নিয়ে উপজেলা সদরে মিছিল করেছেন। তিনি আরও বলেন, এসব সময় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এছাড়াও, তিনি অভিযোগ করেন যে তার ছেলে ওমর ফারুকের প্রায় সাড়ে চার হাজার ভোট সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বাতিল করা হয়েছে, যদিও এজেন্টরা এর চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। কর্নেল অলির মতে, পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়াটি ছিল ‘পরিকল্পিতভাবে’ পরিচালিত।

এই পরিস্থিতিতে, তিনি তার সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন যে কারো সঙ্গে বিবাদে জড়ানোর প্রয়োজন নেই। তিনি প্রশাসনের কাছে এলাকায় টহল জোরদার করার দাবি জানান। একইসঙ্গে, তিনি মন্তব্য করেন যে এক থেকে দেড় হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হওয়া অন্যান্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছে।