কুমিল্লা-০৪ আসনে বিজয়ী প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর জানিয়েছেন যে, তাঁর লক্ষ্য এমন একটি সমাজ গঠন করা যেখানে কারো প্রতি, এমনকি শত্রুর প্রতিও অবিচার করা হবে না। শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে নির্বাচিত হওয়ার সনদপত্র গ্রহণের পর হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমি ৮০% ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছি। যারা আমাকে ভোট দেননি, সেই বিশ হাজার ভোটারের মন জয় করে দেবিদ্বারের সকল শ্রেণির মানুষের সঙ্গে আমি মিলেমিশে থাকব।” তাঁর এই বক্তব্য থেকে জনগণের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা এবং ঐক্যবদ্ধ সমাজ গড়ার আকাঙ্ক্ষা স্পষ্ট হয়।
তিনি রাষ্ট্র কাঠামোকে ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে গড়ে তোলার উপর জোর দেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “২৪ আগস্টের পর থেকে আমার জীবনযাত্রা সাধারণের মতো থাকবে না, কারণ এখন আমাদের উপর দায়িত্ব এসেছে। এই সময়ে আমরা অনেককে হারিয়েছি, অনেক ভাই শহীদ হয়েছেন। তাঁদের পরিবারের দায়িত্ব এখন আমাদের। আমরা সেভাবেই এগিয়ে যাব।” তাঁর এই কথায় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং তাঁদের পরিবারের প্রতি অঙ্গীকারের সুর ধ্বনিত হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসনে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়েছেন, যা তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত গণ অধিকার পরিষদের মোঃ জসীম উদ্দীনের প্রাপ্ত ৪৯ হাজার ভোটের চেয়ে তিনগুণেরও বেশি। এই বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে হাসনাত আবদুল্লাহ “জুলাই বিপ্লবের ক্যাপ্টেন” হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 























