ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ক্যানসার বিষয়ে দেশবাসীকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস সারা দেশে ক্যানসার, বিশেষ করে ফ্যাটি লিভারের কারণে সৃষ্ট ক্যানসার এবং স্তন ক্যানসার সম্পর্কে আরও বেশি সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যা বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে মৃত্যুর একটি প্রধান কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

শনিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সিঙ্গাপুরের ক্যানসার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক তোহ হান চংয়ের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এ আহ্বান জানান।

সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ক্যানসার সেন্টারের সিনিয়র কনসালট্যান্ট প্রফেসর তোহ হান চং এবং সিংহেলথ ডিউক-এনইউএস গ্লোবাল হেলথ ইনস্টিটিউটের ডেপুটি ডিরেক্টর মিসেস বিজয়া রাও এবং সিংহেলথ এবং এডিনবার্গ নেপিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট মিসেস কালবিন্দর কৌর উপস্থিত ছিলেন।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, ক্যানসার, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের মতো অসংক্রামক রোগ দক্ষিণ এশিয়ায় মৃত্যুর প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই রোগগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সুলভে এবং সহজলভ্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের গুরুত্বের ওপর তিনি জোর দেন।

তিনি বলেন, দেশব্যাপী এসব রোগ সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। ক্যানসার বা হৃদরোগের চিকিৎসা প্রায়শই খুবই ব্যয়বহুল। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে হবে।

প্রফেসর তোহ বলেন, ফ্যাটি লিভার রোগ এখন দক্ষিণ এশিয়ার কোটি কোটি মানুষকে প্রভাবিত করে এবং লিভার ক্যানসার এবং অন্যান্য গুরুতর অসুস্থতার সঙ্গে এটি ক্রমবর্ধমানভাবে যুক্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, এই রোগ সম্পর্কে আমাদের আরও বেশি সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে আরও ব্যাপক ও স্বল্প খরচে স্তন ক্যানসার পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিশেষ করে বাংলাদেশি চিকিৎসক ও চিকিৎসা পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

প্রফেসর তোহ উল্লেখ করেন, সিঙ্গাপুর থেকে আসা বিশেষজ্ঞরা এই সপ্তাহের শুরুতে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেন— এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রতি বছর অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথের বেদখল হল উদ্ধারে সব ধরনের আইনি সহায়তার আশ্বাস এমপি হামিদের

ক্যানসার বিষয়ে দেশবাসীকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

আপডেট সময় : ০৬:২৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস সারা দেশে ক্যানসার, বিশেষ করে ফ্যাটি লিভারের কারণে সৃষ্ট ক্যানসার এবং স্তন ক্যানসার সম্পর্কে আরও বেশি সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যা বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে মৃত্যুর একটি প্রধান কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

শনিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সিঙ্গাপুরের ক্যানসার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক তোহ হান চংয়ের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এ আহ্বান জানান।

সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ক্যানসার সেন্টারের সিনিয়র কনসালট্যান্ট প্রফেসর তোহ হান চং এবং সিংহেলথ ডিউক-এনইউএস গ্লোবাল হেলথ ইনস্টিটিউটের ডেপুটি ডিরেক্টর মিসেস বিজয়া রাও এবং সিংহেলথ এবং এডিনবার্গ নেপিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট মিসেস কালবিন্দর কৌর উপস্থিত ছিলেন।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, ক্যানসার, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের মতো অসংক্রামক রোগ দক্ষিণ এশিয়ায় মৃত্যুর প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই রোগগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সুলভে এবং সহজলভ্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের গুরুত্বের ওপর তিনি জোর দেন।

তিনি বলেন, দেশব্যাপী এসব রোগ সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। ক্যানসার বা হৃদরোগের চিকিৎসা প্রায়শই খুবই ব্যয়বহুল। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে হবে।

প্রফেসর তোহ বলেন, ফ্যাটি লিভার রোগ এখন দক্ষিণ এশিয়ার কোটি কোটি মানুষকে প্রভাবিত করে এবং লিভার ক্যানসার এবং অন্যান্য গুরুতর অসুস্থতার সঙ্গে এটি ক্রমবর্ধমানভাবে যুক্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, এই রোগ সম্পর্কে আমাদের আরও বেশি সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে আরও ব্যাপক ও স্বল্প খরচে স্তন ক্যানসার পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিশেষ করে বাংলাদেশি চিকিৎসক ও চিকিৎসা পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

প্রফেসর তোহ উল্লেখ করেন, সিঙ্গাপুর থেকে আসা বিশেষজ্ঞরা এই সপ্তাহের শুরুতে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেন— এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রতি বছর অব্যাহত থাকবে।