ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত দেশব্যাপী ঐতিহাসিক গণভোটে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে সাংবিধানিক সংস্কারের পক্ষে আসা ‘হ্যাঁ’ ভোট। নির্বাচন কমিশন, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিদের পাঠানো সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, দেশজুড়ে সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন পরিলক্ষিত হচ্ছে। গতকাল রাত ২টা পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, গণভোটে প্রদত্ত ভোটের মধ্যে ৭৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ ভোট পড়েছে ‘হ্যাঁ’ বাক্সে, আর ‘না’ ভোট পড়েছে ২৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ।
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন আসনেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয়জয়কার দেখা গেছে। ঢাকা-৫ আসনের ১০টি কেন্দ্রের আংশিক ফলে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৯ হাজার ৪৬২টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৩ হাজার ১৬০টি। ঢাকা-৬ আসনের ৩৪টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ১৭২টি ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিপরীতে ‘না’ ভোট পড়েছে ১৪ হাজার ১৯টি। এছাড়া ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৭ এবং ঢাকা-১৮ আসনের প্রাপ্ত ফলাফলগুলোতেও বিপুল ব্যবধানে ‘হ্যাঁ’ ভোট এগিয়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে।
ঢাকার বাইরেও একই প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। নেত্রকোণা জেলার পাঁচটি আসনের ৬৬৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ২৮৩টি। অন্যদিকে ময়মনসিংহের ত্রিশাল ও ভালুকা আসনেও বড় ব্যবধানে সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে রায় দিয়েছে ভোটাররা। তবে ব্যতিক্রমী চিত্র পাওয়া গেছে খাগড়াছড়ি জেলায়, যেখানে আংশিক ফলাফলে ‘হ্যাঁ’ ভোটের তুলনায় ‘না’ ভোট সামান্য এগিয়ে রয়েছে। সামগ্রিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অধিকাংশ এলাকায় ‘হ্যাঁ’ ভোট এগিয়ে থাকায় প্রস্তাবিত জুলাই জাতীয় সনদ বা সাংবিধানিক সংস্কারসমূহ পাস হওয়ার সম্ভাবনা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত নিশ্চিত হওয়া যাবে।
রিপোর্টারের নাম 





















