আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ভোট কেনা, কেন্দ্র দখল এবং ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ ১২৭টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচনের ঠিক আগের রাতে বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী সব পক্ষ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখবে—এমনটাই প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু নির্বাচনে জয়ী হতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে যেসব অগণতান্ত্রিক পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত কর্মীরা বিভিন্ন স্থানে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছেন এবং অনেক কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এছাড়া হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। নির্বাচনের আগের রাতে প্রার্থীরা সাধারণত কেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় খরচ পাঠিয়ে থাকেন। এরই অংশ হিসেবে লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নির্বাচনী এলাকার জন্য পাঠানো ১৫ লক্ষ টাকা নিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা আরও উল্লেখ করেন, যারা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল, তাদের কাছ থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে এসব অনিয়ম বন্ধে নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
রিপোর্টারের নাম 
























