ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ভোটকেন্দ্রের ‘বিশেষ মুহূর্ত’ ধারণে আইফোন পুরস্কারের ঘোষণা কুড়িগ্রামের প্রার্থীর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রাম-২ আসনে এক অভিনব প্রচার কৌশল ও পুরস্কারের ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ড. আতিক মুজাহিদ। ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ‘বিশেষ মুহূর্তের’ ভিডিও ধারণ করে পাঠাতে পারলে ভোটারদের আইফোন উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি এই ঘোষণা দেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক মুজাহিদ তার নির্বাচনী এলাকা রাজারহাট, ফুলবাড়ী ও কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার তরুণ ও ছাত্র-জনতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ভোটের দিন প্রত্যেকের হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি যেন অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করে। তিনি আহ্বান জানান, ভোটকেন্দ্রের যেকোনো বিশেষ মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করতে অথবা সরাসরি তার কাছে পাঠাতে। প্রাপ্ত ভিডিওগুলোর মধ্যে যেটি সবচেয়ে বেশি তথ্যবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ হবে, সেই ভিডিও ধারণকারীকে পুরস্কার হিসেবে একটি আইফোন দেওয়া হবে।

ভিডিও বার্তায় ড. মুজাহিদ কিছুটা ইঙ্গিতপূর্ণভাবে বলেন, “বুঝেছো তো কোন ধরনের ভিডিও করতে হবে।” তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে মূলত ভোটকেন্দ্রে সম্ভাব্য অনিয়ম, জাল ভোট প্রদান বা কেন্দ্র দখলের মতো ঘটনাগুলো ক্যামেরাবন্দি করার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিজের এই উদ্যোগকে ‘সামাজিক প্রতিরোধ’ হিসেবে অভিহিত করে আতিক মুজাহিদ জানান, প্রতিটি সচেতন নাগরিক যেন একেকজন গণমাধ্যমকর্মীর মতো ভূমিকা পালন করতে পারেন, সেই লক্ষ্য থেকেই তিনি এই পরিকল্পনা নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “কুড়িগ্রাম-২ আসনে আমাদের প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে। তবে আমাদের আশঙ্কা, প্রতিপক্ষ পক্ষ এই জনপ্রিয়তা দেখে ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা বা অনিয়মের চেষ্টা করতে পারে। সেই ভয় থেকেই আমরা চাই সাধারণ মানুষ যেন কেন্দ্র পাহারায় সক্রিয় থাকে।”

প্রার্থীর এমন ঘোষণা নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণের এই উদ্যোগ নির্বাচনী পরিবেশে একটি নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে, যা অনিয়ম রোধে সহায়ক হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফতুল্লায় নির্মাণাধীন ভবনের পানির ট্যাংকি পরিষ্কার করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের প্রাণহানি

ভোটকেন্দ্রের ‘বিশেষ মুহূর্ত’ ধারণে আইফোন পুরস্কারের ঘোষণা কুড়িগ্রামের প্রার্থীর

আপডেট সময় : ১২:২২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রাম-২ আসনে এক অভিনব প্রচার কৌশল ও পুরস্কারের ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ড. আতিক মুজাহিদ। ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ‘বিশেষ মুহূর্তের’ ভিডিও ধারণ করে পাঠাতে পারলে ভোটারদের আইফোন উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি এই ঘোষণা দেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক মুজাহিদ তার নির্বাচনী এলাকা রাজারহাট, ফুলবাড়ী ও কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার তরুণ ও ছাত্র-জনতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ভোটের দিন প্রত্যেকের হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি যেন অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করে। তিনি আহ্বান জানান, ভোটকেন্দ্রের যেকোনো বিশেষ মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করতে অথবা সরাসরি তার কাছে পাঠাতে। প্রাপ্ত ভিডিওগুলোর মধ্যে যেটি সবচেয়ে বেশি তথ্যবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ হবে, সেই ভিডিও ধারণকারীকে পুরস্কার হিসেবে একটি আইফোন দেওয়া হবে।

ভিডিও বার্তায় ড. মুজাহিদ কিছুটা ইঙ্গিতপূর্ণভাবে বলেন, “বুঝেছো তো কোন ধরনের ভিডিও করতে হবে।” তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে মূলত ভোটকেন্দ্রে সম্ভাব্য অনিয়ম, জাল ভোট প্রদান বা কেন্দ্র দখলের মতো ঘটনাগুলো ক্যামেরাবন্দি করার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিজের এই উদ্যোগকে ‘সামাজিক প্রতিরোধ’ হিসেবে অভিহিত করে আতিক মুজাহিদ জানান, প্রতিটি সচেতন নাগরিক যেন একেকজন গণমাধ্যমকর্মীর মতো ভূমিকা পালন করতে পারেন, সেই লক্ষ্য থেকেই তিনি এই পরিকল্পনা নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “কুড়িগ্রাম-২ আসনে আমাদের প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে। তবে আমাদের আশঙ্কা, প্রতিপক্ষ পক্ষ এই জনপ্রিয়তা দেখে ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা বা অনিয়মের চেষ্টা করতে পারে। সেই ভয় থেকেই আমরা চাই সাধারণ মানুষ যেন কেন্দ্র পাহারায় সক্রিয় থাকে।”

প্রার্থীর এমন ঘোষণা নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণের এই উদ্যোগ নির্বাচনী পরিবেশে একটি নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে, যা অনিয়ম রোধে সহায়ক হতে পারে।