ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দিনকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে হেনস্তা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এস কে জাহিদুল ইসলামের অপসারণ দাবি করেছে দলটি। জামায়াতের পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তদন্ত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বুধবার বিকেলে দলটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ ও দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন ব্যবসায়িক প্রয়োজনে নগদ অর্থসহ বিমানে নিজ এলাকায় ফিরছিলেন। ঢাকা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও কাস্টমস বিভাগ যথাযথ যাচাই-বাছাই শেষে তাকে অর্থ বহনের অনুমতি দিলেও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে তাকে বিনা কারণে হেনস্তা করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এস কে জাহিদুল ইসলাম তাকে ব্যক্তিগতভাবে নির্যাতন করেন। এই নির্যাতনের একপর্যায়ে বেলাল উদ্দিন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জামায়াতে ইসলামী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, একজন সম্মানিত নাগরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ওপর এ ধরনের আচরণ চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে নীলফামারীর পুলিশ সুপারকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ হিসেবে অভিহিত করে বলা হয়, তিনি অতীতে সাবেক ডিবি প্রধান ও বর্তমানে পলাতক মনিরুল ইসলামের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন। জঙ্গি নাটকের নামে বিভিন্ন প্রশ্নবিদ্ধ অভিযানে তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তুলেছে দলটি। এই প্রেক্ষাপটে তাকে অবিলম্বে বর্তমান দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে কিছু গণমাধ্যমে এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়। সংবাদমাধ্যমগুলোকে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে জামায়াত বলেছে, মিথ্যে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকতে হবে। এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা কুশীলবদের মুখোশ উন্মোচনের দাবিও জানিয়েছে দলটি।
রিপোর্টারের নাম 
























