ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে বাংলাদেশের বিজয় হবে: জামায়াত আমির

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রকৃত বিজয় অর্জিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার রাতে ১১ দলীয় নির্বাচনি জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার অর্থ হলো জুলাই বিপ্লবের ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের পথ সুগম হওয়া। তিনি বিশ্বাস করেন, এই বিজয়ের মাধ্যমেই গত ১৫ বছরের দুঃশাসন, জুলুম ও নিপীড়নের চূড়ান্ত অবসান ঘটবে এবং প্রতিটি অন্যায়ের ন্যায়সংগত বিচার নিশ্চিত হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি বিশেষভাবে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির পরিবারের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারের কথা উল্লেখ করেন।

দেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, “আমরা সমাজের প্রতিটি স্তরে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর। আমরা তরুণ প্রজন্মকে কেবল আশার বাণী নয়, বরং সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনার নেতৃত্বে দেখতে চাই।”

যুবসমাজের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বেকার ভাতা দিয়ে তরুণদের অলস করে রাখার পক্ষে তারা নন। বরং যুবকদের দক্ষ করে গড়ে তুলে তাদের হাতে সম্মানজনক কর্মসংস্থান তুলে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিল ইরান

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে বাংলাদেশের বিজয় হবে: জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রকৃত বিজয় অর্জিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার রাতে ১১ দলীয় নির্বাচনি জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার অর্থ হলো জুলাই বিপ্লবের ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের পথ সুগম হওয়া। তিনি বিশ্বাস করেন, এই বিজয়ের মাধ্যমেই গত ১৫ বছরের দুঃশাসন, জুলুম ও নিপীড়নের চূড়ান্ত অবসান ঘটবে এবং প্রতিটি অন্যায়ের ন্যায়সংগত বিচার নিশ্চিত হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি বিশেষভাবে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির পরিবারের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারের কথা উল্লেখ করেন।

দেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, “আমরা সমাজের প্রতিটি স্তরে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর। আমরা তরুণ প্রজন্মকে কেবল আশার বাণী নয়, বরং সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনার নেতৃত্বে দেখতে চাই।”

যুবসমাজের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বেকার ভাতা দিয়ে তরুণদের অলস করে রাখার পক্ষে তারা নন। বরং যুবকদের দক্ষ করে গড়ে তুলে তাদের হাতে সম্মানজনক কর্মসংস্থান তুলে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।