সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির এক বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী, সাবেক সহ-সভাপতি, আহ্বায়ক এবং উপজেলা পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরীর আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে একটি নির্বাচনি জনসভার মিছিলের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার প্রাক্কালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর এই অকালপ্রয়াণে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির পৃথক শোকবার্তায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
শোকবার্তায়, বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ প্রয়াত সোহেল আহমদ চৌধুরীকে একজন সৎ, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁরা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি আজীবন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।
বিএনপি নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন যে, বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর নির্বাচনী এলাকায় ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে গণমানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে সোহেল আহমদ চৌধুরীর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনগণের প্রতি তাঁর গভীর দায়বদ্ধতা ও দায়িত্বশীলতা অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁকে একজন গ্রহণযোগ্য, আস্থাভাজন এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতায় পরিণত করেছিল।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, সিলেট জেলা ও বিশ্বনাথ উপজেলায় বিএনপিকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য ছিল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর কর্মজীবনে এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান এলাকাবাসী চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল একজন পরীক্ষিত ও অভিজ্ঞ নেতাকে হারাল বলে নেতৃবৃন্দ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও হুমায়ুন কবির প্রয়াত সোহেল আহমদ চৌধুরীর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। একইসঙ্গে, তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি প্রদানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























