নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদ নির্বাচিত হলে হাতিয়াকে জেলা হিসেবে ঘোষণা করার এবং বর্তমান দুটি উপজেলাকে বিভক্ত করে আরও দুটি নতুন উপজেলা গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সোমবার বিকেলে উপজেলা সদরের ওছখালী কেএসএস সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এই ঘোষণা দেন। হান্নান মাসউদ বলেন, তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন, বরং সকলকে সাথে নিয়ে একটি আধুনিক হাতিয়া গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাস্টার বোরহান উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জামায়াত নেতা এডভোকেট শাহ মাহফুজুল হক, জামায়াতের পৌর মেয়র প্রার্থী সাব্বির আহম্মেদ তাফসির, এলডিপি প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল হোসেন বাবুল, এনসিপির উপজেলা সভাপতি শামছুল তিব্রীজ, পৌরসভা এনসিপির সভাপতি মহিবুর রহমান, উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আব্দুল ওহাব বাবুল, ছাত্রশক্তির সভাপতি নেয়ামত উল্যাহ নীরব এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত এনসিপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা।
হান্নান মাসউদ তার বক্তব্যে বলেন, তাদের রাজনীতি হাতিয়াকে দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করার রাজনীতি। তিনি ঘাট-হাটে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার এবং চাঁদাবাজির অবসান ঘটানোর অঙ্গীকার করেন। রাজনীতি করতে হলে সকলকে জবাবদিহিতার আওতায় আসতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
হাতিয়াবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তার নির্বাচনী ইশতেহার কেবল তার নিজের নয়, বরং সিএনজি চালক, শ্রমিক এবং সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের অধিকারের কথা এখানে বলা হয়েছে। প্রায় ৩৫ মিনিটের বক্তব্যে তিনি নদী ভাঙন রোধ, বেড়িবাঁধ নির্মাণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন এবং নদী বন্দর প্রতিষ্ঠার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর জোর দেন।
এর আগে, ১১ দলীয় জোটের এই নির্বাচনী জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে হাতিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা বর্ণাঢ্য মিছিল সহকারে সভাস্থলে এসে উপস্থিত হন। বিকেল ৪টার পর সাধারণ কর্মীদের পদচারণায় মাঠটি কানায় কানায় ভরে যায়।
রিপোর্টারের নাম 
























