ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

৫৬ বছরের দুর্নীতি রুখতে ১১ দলীয় জোটকে ভোট দিন: ডা. তাহের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে দেশের ৫৬ বছরের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের নির্বাচন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। তিনি চৌদ্দগ্রামের ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হলে ১১ দলীয় জোটকে ভোট দিতে হবে। সোমবার রাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের আবদুল্লাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. তাহের বলেন, এবারের নির্বাচন হচ্ছে ‘মুক্ত’ ও ‘যুক্ত’ পক্ষের মধ্যে। তিনি দাবি করেন, “আমরা দুর্নীতি-চাঁদাবাজি মুক্ত, আর অন্য একটি দল দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিতে যুক্ত।” জনগণের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন রাখেন, “আপনারা কি দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চান? না চাইলে ১১ দলীয় জোটে ভোট দিন।”

সন্ত্রাসীদের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জামায়াত নেতা বলেন, “শুনেছি কেউ কেউ কেন্দ্র দখলের হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু এই হুমকিতে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতি পাঁচ মিনিট পর পর টহল দেবে। সুতরাং, কেউ ভয় না পেয়ে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে কেন্দ্রে আসুন। চৌদ্দগ্রামে কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না।”

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “জামায়াত গত ৫ আগস্টের পর আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। আমি আশা করি, অতীতের মতো এবারও আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।”

জনসভায় কালিকাপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মমিনুল ইসলাম মজুমদার সভাপতিত্ব করেন। জামায়াত নেতা শাকিল চৌধুরীর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার সাবেক আমীর আবদুস সাত্তার, বর্তমান আমীর এডভোকেট মু. শাহজাহান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ভিপি সাহাব উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান, এলডিপির নেতা ইঞ্জিনিয়ার কাজী ফেরদৌস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপজেলা আমীর মাওলানা শাহজালাল সহ স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় আ.লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের পর ভাঙচুর-আগুন, আটক ৩

৫৬ বছরের দুর্নীতি রুখতে ১১ দলীয় জোটকে ভোট দিন: ডা. তাহের

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে দেশের ৫৬ বছরের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের নির্বাচন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। তিনি চৌদ্দগ্রামের ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হলে ১১ দলীয় জোটকে ভোট দিতে হবে। সোমবার রাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের আবদুল্লাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. তাহের বলেন, এবারের নির্বাচন হচ্ছে ‘মুক্ত’ ও ‘যুক্ত’ পক্ষের মধ্যে। তিনি দাবি করেন, “আমরা দুর্নীতি-চাঁদাবাজি মুক্ত, আর অন্য একটি দল দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিতে যুক্ত।” জনগণের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন রাখেন, “আপনারা কি দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চান? না চাইলে ১১ দলীয় জোটে ভোট দিন।”

সন্ত্রাসীদের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জামায়াত নেতা বলেন, “শুনেছি কেউ কেউ কেন্দ্র দখলের হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু এই হুমকিতে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতি পাঁচ মিনিট পর পর টহল দেবে। সুতরাং, কেউ ভয় না পেয়ে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে কেন্দ্রে আসুন। চৌদ্দগ্রামে কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না।”

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “জামায়াত গত ৫ আগস্টের পর আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। আমি আশা করি, অতীতের মতো এবারও আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।”

জনসভায় কালিকাপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মমিনুল ইসলাম মজুমদার সভাপতিত্ব করেন। জামায়াত নেতা শাকিল চৌধুরীর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার সাবেক আমীর আবদুস সাত্তার, বর্তমান আমীর এডভোকেট মু. শাহজাহান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ভিপি সাহাব উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান, এলডিপির নেতা ইঞ্জিনিয়ার কাজী ফেরদৌস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপজেলা আমীর মাওলানা শাহজালাল সহ স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।