আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে কোনো ভোটকেন্দ্র বা ব্যালট বাক্স দখলের চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত জাতীয় স্টেডিয়ামের সেনাক্যাম্পে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সেনা সদরের ডিরেক্টর (মিলিটারি অপারেশন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় এবারের জাতীয় নির্বাচনে অধিক সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে অসামরিক প্রশাসন ও জনগণকে সহায়তার জন্য সেনাপ্রধানের দিকনির্দেশনায় সেনাবাহিনী সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে। কেউ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুরুল ইসলাম আরও জানান, সেনাবাহিনী এখন পর্যন্ত ১০ হাজার ১৫২টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে। অসামরিক বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয়ের জন্য একটি মনিটরিং সেলও গঠন করা হয়েছে। নির্বাচনের পর সেনাবাহিনী কতদিন মাঠে থাকবে, তা সরকারের সিদ্ধান্ত।
সেনাপ্রধান জনগণের মনে আস্থার বার্তা দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যা যা করা প্রয়োজন, অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনী আইনের মধ্যে থেকে তা সবকিছু করবে। নির্বাচনকেন্দ্রিক যেকোনো নাশকতা প্রতিরোধেও সেনাবাহিনী পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। এই নির্বাচনে সোশ্যাল মিডিয়া ও অপপ্রচারকে প্রধান হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি জানান, সাইবার নজরদারি অব্যাহত আছে।
রিপোর্টারের নাম 





















