আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবার ১ লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোতে যেখানে সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী এলাকায় অবস্থান করতেন, সেখানে এবার প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহল পরিচালনার অনুমতি পেয়েছে সেনাবাহিনী। ভোটারদের নিরাপদে কেন্দ্রে যাতায়াত এবং তাদের মনে আস্থা ফিরিয়ে আনতেই এই বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, যা গত ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখ নেই, তাই বাদ) রাজধানীর গুলিস্তানের রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন।
এবারের নির্বাচনে কেন এত বিপুলসংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে— এমন প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুর বলেন, “আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য মোতায়েন করেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এবার ১ লাখ সদস্য কেন মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যান্য নির্বাচন থেকে এবারের নির্বাচনে আমাদের সদস্য মোতায়েনের পার্থক্য হচ্ছে, এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোতে এই অনুমতি ছিল না। পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোতে আমরা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী জায়গায় অবস্থান করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “এবার সাধারণ ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, সেই বিষয়টি মাথায় রেখে সেনাবাহিনীর প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সেনাসদস্যদের রেখে বাকি সব সেনাসদস্যকে সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য নিয়োগ করেছেন।”
সেনাবাহিনীর এই টহল কার্যক্রমে যানবাহন স্বল্পতার বিষয়টিও তুলে ধরেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুর। তিনি জানান, “প্রয়োজনীয় যানবাহনের অপ্রতুলতার কারণে আমরা অসামরিক প্রশাসনের কাছে সাহায্য চেয়েছি, যেন তারা রিকুইজিশনের মাধ্যমে আমাদের গাড়ি সরবরাহ করে। যদি সেটিও সম্ভব না হয়, তবে গাড়ি ভাড়া করে হলেও সেনাসদস্যরা যাতে টহল দিতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “সেনাসদস্যরা এর জন্য প্রস্তুত এবং অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন, দিনরাত টহল পরিচালনা করছেন শুধু ভোটারদের আস্থার জায়গাটা ফিরিয়ে আনার জন্য।” এই কার্যক্রম গত ২০ জানুয়ারি থেকে জোরদার করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















