ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

নির্বাচন ঘিরে অস্থিরতা তৈরির বড় ছক: সীমান্তপারের ‘নীলনকশা’ নস্যাতে সর্বোচ্চ সতর্কতায় নিরাপত্তা বাহিনী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশকে অস্থিতিশীল করার একটি সুপরিকল্পিত ও বহুমুখী ষড়যন্ত্রের তথ্য পাওয়া গেছে। একাধিক নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, এই নীলনকশার মূল লক্ষ্য হলো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত উসকে দেওয়া এবং বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

গোয়েন্দা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে সীমান্তপারের অশুভ শক্তি, দেশের বাইরে পলাতক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং কয়েকটি উগ্রবাদী গোষ্ঠীর একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক কাজ করছে। বিশেষ করে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গুজব ছড়িয়ে এবং অর্থের বিনিময়ে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে মাঠে নামিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির পরিকল্পনা করা হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, নির্বাচনের আগমুহূর্তে একটি ‘ক্রিটিক্যাল ফেজ’ বা সংকটকাল নির্ধারণ করা হয়েছে, যখন টার্গেট কিলিং, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং রাজনৈতিক সমাবেশে বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা রয়েছে।

তথ্যমতে, ষড়যন্ত্রের প্রথম ধাপে দেশের বড় দুটি রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে কৃত্রিম বিরোধ তৈরি করে সেটিকে সহিংসতায় রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। অনুপ্রবেশকারী সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে উভয় পক্ষের মিছিলে হামলা চালিয়ে এবং স্পর্শকাতর ইস্যু ব্যবহার করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার ছক আঁকা হয়েছে। বিশেষ করে দেশের ৮৭টি সংসদীয় আসনকে এ ধরনের সংঘাতের জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে রাজধানী ঢাকার একাধিক আসনও রয়েছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো রাজনৈতিক দলগুলোকে উসকানি এড়িয়ে সংযত থেকে নির্বাচনী প্রচার চালানোর পরামর্শ দিয়েছে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বিগত সরকারের আমলে বিশেষ মহলের মদতে গড়ে ওঠা কিছু উগ্রবাদী গোষ্ঠীকে পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেএমবির ১০৩ জন পলাতক সদস্যকে নিয়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দেশের বাইরে অবস্থানরত সাবেক কিছু পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তা এই নেটওয়ার্কের সমন্বয় করছেন। এমনকি সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কিছু তরুণকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে দেশে পাঠিয়ে বড় ধরনের নাশকতার ছক সাজানো হয়েছে। সম্প্রতি কেরানীগঞ্জের একটি মাদরাসায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এ ধরনের অপতৎপরতার যোগসূত্র পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

গোয়েন্দারা আরও জানিয়েছেন, ২০০৫ সালের সিরিজ বোমা হামলার চেয়েও বর্তমান পরিকল্পনাটি অনেক বেশি আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর। ষড়যন্ত্রকারীরা সাধারণ যোগাযোগমাধ্যমের পরিবর্তে এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ব্যবহার করছে এবং ‘লোন উলফ’ বা একক হামলার কৌশল অবলম্বন করছে, যা শনাক্ত করা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার শীর্ষ অপরাধী এবং পলাতক সাবেক মন্ত্রী ও প্রভাবশালী কর্মকর্তারা বর্তমানে প্রতিবেশী দেশের বিভিন্ন নিরাপদ আশ্রয়ে বসে এই বিশৃঙ্খলার কলকাঠি নাড়ছেন বলে নিশ্চিত হয়েছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা এবং বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তাদের একটি জোট এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে কাজ করছে। তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো বর্তমান পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করা। এমনকি জুলাই আন্দোলনের ফ্রন্টলাইন নেতাদের ওপর ‘টার্গেট কিলিং’ চালিয়ে দেশে নেতৃত্বশূন্যতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরির পরিকল্পনাও তাদের ব্লু-প্রিন্টে রয়েছে।

সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক প্রবেশ ঠেকাতে যশোর, সিলেট ও ময়মনসিংহ সীমান্তে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। ড্রোন ও থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া প্রশাসনের ভেতরে যারা এখনো পলাতক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, তাদের শনাক্ত করতে বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার অভূতপূর্ব প্রস্তুতি নিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও কোস্ট গার্ডসহ নয় লাখের বেশি সদস্য মোতায়েন থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া ভিডিও ও গুজব রুখতে সাইবার ইউনিটগুলো সার্বক্ষণিক কাজ করছে।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য তাদের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিদেশি যেকোনো নীলনকশা নস্যাৎ করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও রাজনৈতিক দলগুলোর সহনশীলতা একান্ত প্রয়োজন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আশ্বস্ত করেছেন যে, যেকোনো ধরনের নাশকতা মোকাবিলায় সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে এবং জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় সন্ত্রাসীদের লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিতে রিকশাচালক আহত, তদন্তে পুলিশ

নির্বাচন ঘিরে অস্থিরতা তৈরির বড় ছক: সীমান্তপারের ‘নীলনকশা’ নস্যাতে সর্বোচ্চ সতর্কতায় নিরাপত্তা বাহিনী

আপডেট সময় : ০৮:৫২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশকে অস্থিতিশীল করার একটি সুপরিকল্পিত ও বহুমুখী ষড়যন্ত্রের তথ্য পাওয়া গেছে। একাধিক নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, এই নীলনকশার মূল লক্ষ্য হলো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত উসকে দেওয়া এবং বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

গোয়েন্দা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে সীমান্তপারের অশুভ শক্তি, দেশের বাইরে পলাতক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং কয়েকটি উগ্রবাদী গোষ্ঠীর একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক কাজ করছে। বিশেষ করে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গুজব ছড়িয়ে এবং অর্থের বিনিময়ে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে মাঠে নামিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির পরিকল্পনা করা হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, নির্বাচনের আগমুহূর্তে একটি ‘ক্রিটিক্যাল ফেজ’ বা সংকটকাল নির্ধারণ করা হয়েছে, যখন টার্গেট কিলিং, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং রাজনৈতিক সমাবেশে বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা রয়েছে।

তথ্যমতে, ষড়যন্ত্রের প্রথম ধাপে দেশের বড় দুটি রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে কৃত্রিম বিরোধ তৈরি করে সেটিকে সহিংসতায় রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। অনুপ্রবেশকারী সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে উভয় পক্ষের মিছিলে হামলা চালিয়ে এবং স্পর্শকাতর ইস্যু ব্যবহার করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার ছক আঁকা হয়েছে। বিশেষ করে দেশের ৮৭টি সংসদীয় আসনকে এ ধরনের সংঘাতের জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে রাজধানী ঢাকার একাধিক আসনও রয়েছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো রাজনৈতিক দলগুলোকে উসকানি এড়িয়ে সংযত থেকে নির্বাচনী প্রচার চালানোর পরামর্শ দিয়েছে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বিগত সরকারের আমলে বিশেষ মহলের মদতে গড়ে ওঠা কিছু উগ্রবাদী গোষ্ঠীকে পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেএমবির ১০৩ জন পলাতক সদস্যকে নিয়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দেশের বাইরে অবস্থানরত সাবেক কিছু পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তা এই নেটওয়ার্কের সমন্বয় করছেন। এমনকি সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কিছু তরুণকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে দেশে পাঠিয়ে বড় ধরনের নাশকতার ছক সাজানো হয়েছে। সম্প্রতি কেরানীগঞ্জের একটি মাদরাসায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এ ধরনের অপতৎপরতার যোগসূত্র পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

গোয়েন্দারা আরও জানিয়েছেন, ২০০৫ সালের সিরিজ বোমা হামলার চেয়েও বর্তমান পরিকল্পনাটি অনেক বেশি আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর। ষড়যন্ত্রকারীরা সাধারণ যোগাযোগমাধ্যমের পরিবর্তে এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ব্যবহার করছে এবং ‘লোন উলফ’ বা একক হামলার কৌশল অবলম্বন করছে, যা শনাক্ত করা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার শীর্ষ অপরাধী এবং পলাতক সাবেক মন্ত্রী ও প্রভাবশালী কর্মকর্তারা বর্তমানে প্রতিবেশী দেশের বিভিন্ন নিরাপদ আশ্রয়ে বসে এই বিশৃঙ্খলার কলকাঠি নাড়ছেন বলে নিশ্চিত হয়েছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা এবং বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তাদের একটি জোট এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে কাজ করছে। তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো বর্তমান পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করা। এমনকি জুলাই আন্দোলনের ফ্রন্টলাইন নেতাদের ওপর ‘টার্গেট কিলিং’ চালিয়ে দেশে নেতৃত্বশূন্যতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরির পরিকল্পনাও তাদের ব্লু-প্রিন্টে রয়েছে।

সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক প্রবেশ ঠেকাতে যশোর, সিলেট ও ময়মনসিংহ সীমান্তে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। ড্রোন ও থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া প্রশাসনের ভেতরে যারা এখনো পলাতক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, তাদের শনাক্ত করতে বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার অভূতপূর্ব প্রস্তুতি নিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও কোস্ট গার্ডসহ নয় লাখের বেশি সদস্য মোতায়েন থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া ভিডিও ও গুজব রুখতে সাইবার ইউনিটগুলো সার্বক্ষণিক কাজ করছে।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য তাদের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিদেশি যেকোনো নীলনকশা নস্যাৎ করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও রাজনৈতিক দলগুলোর সহনশীলতা একান্ত প্রয়োজন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আশ্বস্ত করেছেন যে, যেকোনো ধরনের নাশকতা মোকাবিলায় সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে এবং জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করবে।