আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে দেশব্যাপী পালিত হবে ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’। এবারের দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে— ‘জ্ঞানেই মুক্তি, আগামীর ভিত্তি’। দিবসটি উদযাপনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি গ্রন্থাগারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা, পাঠাভ্যাস বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করা এবং মননশীল সমাজ গঠনে গ্রন্থাগারের ভূমিকাকে আরও সুদৃঢ় করা। পাশাপাশি, গ্রন্থাগারকে ‘জনগণের বিশ্ববিদ্যালয়’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার উপরও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
এই উপলক্ষ্যে, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০০ টায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ, ঢাকা প্রাঙ্গণে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘গ্রন্থাগার ও জ্ঞানচর্চা: একুশ শতকের প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় গ্রন্থাগার দিবসের তাৎপর্য ও গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মো. লতিফুল ইসলাম শিবলী, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম, এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাব বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন।
আলোচনা সভায় মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তাক গাউসুল হক। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মফিদুর রহমান অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনীষ চাকমাসহ বিভিন্ন বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
জাতীয় পর্যায়ের এই আয়োজনের পাশাপাশি, দেশের সকল সরকারি গণগ্রন্থাগারসমূহেও দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন, আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর, বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইন্সটিটিউট, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ গ্রন্থাগার সমিতি (LAB), বাংলাদেশ গ্রন্থাগারিক ও তথ্যায়নবিদ সমিতি (BALID), বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতি, বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি পেশাজীবী, ব্র্যাকসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে এই দিবসটি উদযাপন করবে।
ঢাকার বাইরেও, দেশের সকল জেলায় স্থানীয় জেলা প্রশাসন, সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সংগঠন নিজ নিজ উদ্যোগে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন করবে।
রিপোর্টারের নাম 





















