দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকাশকরা অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর সময়সূচি পরিবর্তনসহ চারটি সুনির্দিষ্ট দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করেছেন। গত রোববার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে জমা দেওয়া এই স্মারকলিপিতে প্রকাশনা শিল্পের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতি তুলে ধরে জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
প্রকাশকদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর নতুন করে আয়োজন করা। এছাড়াও, চলতি বছর মেলায় স্টল ও প্যাভিলিয়নের ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ করে সরকারি অর্থায়নে সেগুলোর কাঠামো নির্মাণ, শিক্ষার্থী ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বই ক্রয়ে আর্থিক প্রণোদনা বা ‘বই-ভাতা’ চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি বই ক্রয় নীতির সংস্কার করে প্রতিটি মানসম্মত বইয়ের ন্যূনতম ৩০০ কপি রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্রয়ের নিশ্চয়তা প্রদান।
স্মারকলিপিতে প্রকাশনা খাতের চরম দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্প বর্তমানে এক গভীর অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন। তাদের দাবি অনুযায়ী, দেশে প্রকাশিত প্রায় ৯৫ শতাংশ বইয়ের প্রথম সংস্করণ মাত্র ৩০০ কপি ছাপা হয় এবং এর মধ্যে ৭০ শতাংশের বেশি বইয়ের বিক্রি আশানুরূপ হয় না। গত দেড় বছরে বই বিক্রি ৬০ শতাংশের বেশি কমে যাওয়ায় দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রকাশক অস্তিত্ব সংকটে পড়েছেন।
বিশেষভাবে, আসন্ন অমর একুশে বইমেলার সময়সূচি নিয়ে প্রকাশকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ বিরাজ করছে। পবিত্র রমজান মাস এবং আসন্ন নির্বাচনকে বিবেচনা করে বইমেলার সময় পরিবর্তনের দাবিতে ইতোমধ্যে ২৬২ জন প্রকাশক স্বাক্ষরসহ একটি আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকাশক সমিতিসহ (বাপুস) প্রকাশকদের মধ্যে এ দাবির পক্ষে অভূতপূর্ব ঐকমত্য রয়েছে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টাকে সতর্ক করে প্রকাশকরা আরও জানান যে, বর্তমান অর্থনৈতিকThe current economic reality is such that holding the book fair in February or during Ramadan will make it impossible for many publishers to participate. This would plunge the publishing industry into a greater crisis. “We want a book fair, but we don’t want to be destroyed carrying the burden of loss,” the publishers stated.
The publishers who submitted the memorandum on behalf of the publishing community included Mesbah Uddin Ahmed, publisher of Ahmad Publishing House; A.K. Nasir Ahmed, publisher of Kakoli; Mazharul Islam, publisher of Oronnoprakash; Monirul Hoque, publisher of Ananya; Syed Zakir Hossain, publisher of Adorn; Md. Mobarak Hossain, coordinator of Prothoma Prokashan and Pandulipi; Md. Zahir Dipti, publisher of Iti Prokashon; Mahrukh Mohiuddin, publisher of UPL; Mahabub Rahman, publisher of Adarsha; and Iqbal Hossain Sanu, publisher of Laboni.
রিপোর্টারের নাম 





















