ঢাকা ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘লালকার্ড’ দেখানোর আহ্বান রাশেদ প্রধানের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিকে প্রধান অন্তরায় হিসেবে উল্লেখ করে এসবের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রখ্যাত রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জননেতা রাশেদ প্রধান। তিনি বলেছেন, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করা এই দুই অপশক্তির বিরুদ্ধে এখনই ‘লালকার্ড’ দেখাতে হবে, অন্যথায় জাতির ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন হবে।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর একটি সেমিনারে ‘সুশাসন ও উন্নয়ন: চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। রাশেদ প্রধান বলেন, দুর্নীতি দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অর্থ আত্মসাৎ করছে, যা সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। অন্যদিকে, চাঁদাবাজি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে ধ্বংস করছে, বিনিয়োগে বাধা সৃষ্টি করছে এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। এর ফলে সামগ্রিক অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং সমাজে অস্থিরতা বাড়ছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন একটি সমন্বিত সামাজিক আন্দোলন এবং প্রতিটি নাগরিকের সজাগ ও সক্রিয় অংশগ্রহণ। রাশেদ প্রধান আরও বলেন, “আমরা যদি এখনই এই অপশক্তিকে রুখতে না পারি, তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি দুর্নীতিগ্রস্ত ও অন্যায্য সমাজে বেড়ে উঠবে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য কঠোর রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে জবাবদিহিতা অত্যাবশ্যক।”

তিনি সরকার, প্রশাসন এবং বিচার বিভাগকে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, সমাজের সর্বস্তরে সততা ও নৈতিকতার চর্চা বাড়াতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। রাশেদ প্রধানের মতে, একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ অপরিহার্য। এই লক্ষ্য অর্জনে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবি ছাত্রদলের দুই নেতাকে অব্যাহতি: শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ কেন্দ্রীয় কমিটির

দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘লালকার্ড’ দেখানোর আহ্বান রাশেদ প্রধানের

আপডেট সময় : ০৬:০২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিকে প্রধান অন্তরায় হিসেবে উল্লেখ করে এসবের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রখ্যাত রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জননেতা রাশেদ প্রধান। তিনি বলেছেন, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করা এই দুই অপশক্তির বিরুদ্ধে এখনই ‘লালকার্ড’ দেখাতে হবে, অন্যথায় জাতির ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন হবে।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর একটি সেমিনারে ‘সুশাসন ও উন্নয়ন: চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। রাশেদ প্রধান বলেন, দুর্নীতি দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অর্থ আত্মসাৎ করছে, যা সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। অন্যদিকে, চাঁদাবাজি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে ধ্বংস করছে, বিনিয়োগে বাধা সৃষ্টি করছে এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। এর ফলে সামগ্রিক অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং সমাজে অস্থিরতা বাড়ছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন একটি সমন্বিত সামাজিক আন্দোলন এবং প্রতিটি নাগরিকের সজাগ ও সক্রিয় অংশগ্রহণ। রাশেদ প্রধান আরও বলেন, “আমরা যদি এখনই এই অপশক্তিকে রুখতে না পারি, তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি দুর্নীতিগ্রস্ত ও অন্যায্য সমাজে বেড়ে উঠবে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য কঠোর রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে জবাবদিহিতা অত্যাবশ্যক।”

তিনি সরকার, প্রশাসন এবং বিচার বিভাগকে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, সমাজের সর্বস্তরে সততা ও নৈতিকতার চর্চা বাড়াতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। রাশেদ প্রধানের মতে, একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ অপরিহার্য। এই লক্ষ্য অর্জনে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।