নির্বাচনে দায়িত্বরত কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনার মো. আব্দুর রহমান বলেছেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গুরুতর অভিযোগগুলো সরাসরি নির্বাচন কমিশন গ্রহণ করবে এবং প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
আজ দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার এসব কথা বলেন। তিনি জানান, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত যেকোনো ব্যক্তি যদি আইন ভঙ্গ করেন বা তাদের আচরণে পক্ষপাতিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তা ‘ইনকোয়ারি এন্ড এডজুডিকেশন কমিটি’র কাছে অভিযোগ আকারে দাখিল করা যাবে। কমিটির মাধ্যমে অভিযোগগুলো তদন্ত করা হবে এবং তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি তাদের বিরূপ প্রতিক্রিয়া বা দুর্ব্যবহার যদি আইন ও আচরণবিধির পরিপন্থী বলে নিশ্চিত হওয়া যায়, তবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, “নির্বাচনি পরিবেশ বর্তমানে তুলনামূলকভাবে ভালো রয়েছে।” তিনি সকল রাজনৈতিক দল ও তাদের নেতাকর্মীদের সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন নির্বাচন কমিশনার। তিনি জানান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই আসনের নির্বাচন সংক্রান্ত পরবর্তী সকল পদক্ষেপ বাতিল হয়ে গেছে। নির্বাচন কমিশন দ্রুতই এই আসনে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করবে। তবে, তফসিল ঘোষণার জন্য ন্যূনতম পনেরো দিনের সময়সীমা বিবেচনায়, আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারির আগে এই আসনে নতুন তফসিল ঘোষণার কোনো সম্ভাবনা নেই।
রিপোর্টারের নাম 





















