ঢাকা ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা-১৩ আসনে মামুনুল হকের ১৩ দফা নির্বাচনী অঙ্গীকার: সন্ত্রাস, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত এলাকার প্রতিশ্রুতি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৩ আসনে দশ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক এক যুগোপযোগী ও জনকল্যাণমূলক ১৩ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। বুধবার দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত ঢাকা-১৩ সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ ও আচরণবিধি প্রতিপালন বিষয়ক অনুষ্ঠানে তিনি এই প্রতিশ্রুতিগুলো তুলে ধরেন। তার ঘোষিত ইশতেহারের মূল লক্ষ্য হলো ঢাকা-১৩ আসনকে সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতি ও কিশোর গ্যাংয়ের প্রভাব থেকে মুক্ত করে একটি নিরাপদ ও উন্নত জনপদে পরিণত করা।

মাওলানা মামুনুল হকের ঘোষিত ১৩ দফার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

১. দুর্নীতিমুক্ত ঢাকা-১৩: ভূমি, ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধনসহ সকল নাগরিক সেবাকে ডিজিটালাইজড করে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা হবে। এছাড়া, উন্নয়ন প্রকল্পের বাজেট, ঠিকাদার নিয়োগ এবং প্রকল্পের অগ্রগতি জনগণের সামনে উন্মুক্ত করে দিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।

২. সন্ত্রাস, মাদক নির্মূল ও কিশোর গ্যাং সংশোধন: আসনটিতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ছিনতাই এবং মাদক ব্যবসা দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হবে। মাদকাসক্তদের চিকিৎসার পাশাপাশি তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের সংশোধনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

৩. নিরাপদ জনপথ ও আইনশৃঙ্খলা জোরদার: ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত সড়কবাতি নিশ্চিতকরণ এবং পুলিশি টহল জোরদার করার মাধ্যমে জনগণের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হবে। বাজার, টার্মিনাল এবং অফিসগুলোতে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে টেন্ডারবাজি ও রাজনৈতিক চাঁদাবাজি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

৪. যানজট নিরসন ও আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা: অসমাপ্ত সড়ক নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করা, ফুটপাত দখলমুক্ত করা, অবৈধ নির্মাণসামগ্রী অপসারণ এবং সড়ক দ্বীপগুলোতে সবুজায়ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়া, বেড়িবাঁধে এক্সপ্রেসওয়ে সংযোগ এবং মেট্রোরেলের সুবিধা সম্প্রসারণে উদ্যোগ গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

৫. জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশ সুরক্ষা: রামচন্দ্রপুর খালসহ সকল খাল দখলমুক্ত করে একটি সমন্বিত ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি, আধুনিক ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করে পরিবেশের মান উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

৬. ব্যবসাবান্ধব ঢাকা-১৩: ‘এক ছাতার নিচে সকল সেবা’ নীতি গ্রহণ করে লাইসেন্স প্রক্রিয়া সহজীকরণ করা হবে। স্থানীয় শিল্প, ক্ষুদ্র কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া হবে।

৭. শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষক সংকট নিরসন এবং আধুনিক ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হবে। কারিগরি ও ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ জোরদার করার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং ও আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করা হবে। বেদখল হয়ে যাওয়া খেলার মাঠগুলো পুনরুদ্ধার করে নতুন প্রজন্মের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

৮. গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংকটের টেকসই সমাধান: গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থায় দুর্নীতি দূর করে সকলের জন্য ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা হবে। ঢাকার অন্যান্য এলাকার সঙ্গে তুলনা করে বিতরণ ব্যবস্থায় বৈষম্য রোধ করে উন্নত সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

৯. স্বাস্থ্য ও নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ: সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সক্ষমতা বৃদ্ধি, চিকিৎসক ও নার্স সংকট নিরসন এবং আধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। টিসিবি (ট্রেডিং কর্পোরেশন অফ বাংলাদেশ) এবং বিভিন্ন ভাতা বিতরণে স্বচ্ছতা আনা হবে। জেনেভা ক্যাম্প ও বস্তিবাসীর পুনর্বাসনেরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১০. ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি: সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হবে। ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করে সামাজিক অবক্ষয় রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

১১. সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও নাগরিক স্বাধীনতা: প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতি পালনে পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। স্বাধীনতা, বিজয় ও ভাষা দিবসসহ সকল জাতীয় দিবস মর্যাদাপূর্ণভাবে এবং সর্বজনীন অংশগ্রহণে উদযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

১২. নারীর অধিকার ও শিশুর বিকাশ: নারী নিরাপত্তায় সিসিটিভি ক্যামেরা ও হটলাইন চালুর পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পে নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। শিশুশ্রম বন্ধ করে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করা হবে। এছাড়া, সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠী, যেমন পতিতা ও হিজড়াদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

১৩. শহীদ ও বীরদের সম্মান এবং জবাবদিহিতার রাজনীতি: মুক্তিযোদ্ধা, জুলাইযোদ্ধা ও শাপলা চত্বরের শহীদদের সম্মান, ভাতা ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন প্রদান করা হবে। নিয়মিতভাবে জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংলাপ, উন্মুক্ত মতবিনিময় এবং জবাবদিহিমূলক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন মাওলানা মামুনুল হক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর ছয় থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬০ জন গ্রেপ্তার

ঢাকা-১৩ আসনে মামুনুল হকের ১৩ দফা নির্বাচনী অঙ্গীকার: সন্ত্রাস, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত এলাকার প্রতিশ্রুতি

আপডেট সময় : ০৪:৪২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৩ আসনে দশ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক এক যুগোপযোগী ও জনকল্যাণমূলক ১৩ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। বুধবার দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত ঢাকা-১৩ সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ ও আচরণবিধি প্রতিপালন বিষয়ক অনুষ্ঠানে তিনি এই প্রতিশ্রুতিগুলো তুলে ধরেন। তার ঘোষিত ইশতেহারের মূল লক্ষ্য হলো ঢাকা-১৩ আসনকে সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতি ও কিশোর গ্যাংয়ের প্রভাব থেকে মুক্ত করে একটি নিরাপদ ও উন্নত জনপদে পরিণত করা।

মাওলানা মামুনুল হকের ঘোষিত ১৩ দফার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

১. দুর্নীতিমুক্ত ঢাকা-১৩: ভূমি, ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধনসহ সকল নাগরিক সেবাকে ডিজিটালাইজড করে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা হবে। এছাড়া, উন্নয়ন প্রকল্পের বাজেট, ঠিকাদার নিয়োগ এবং প্রকল্পের অগ্রগতি জনগণের সামনে উন্মুক্ত করে দিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।

২. সন্ত্রাস, মাদক নির্মূল ও কিশোর গ্যাং সংশোধন: আসনটিতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ছিনতাই এবং মাদক ব্যবসা দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হবে। মাদকাসক্তদের চিকিৎসার পাশাপাশি তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের সংশোধনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

৩. নিরাপদ জনপথ ও আইনশৃঙ্খলা জোরদার: ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত সড়কবাতি নিশ্চিতকরণ এবং পুলিশি টহল জোরদার করার মাধ্যমে জনগণের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হবে। বাজার, টার্মিনাল এবং অফিসগুলোতে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে টেন্ডারবাজি ও রাজনৈতিক চাঁদাবাজি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

৪. যানজট নিরসন ও আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা: অসমাপ্ত সড়ক নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করা, ফুটপাত দখলমুক্ত করা, অবৈধ নির্মাণসামগ্রী অপসারণ এবং সড়ক দ্বীপগুলোতে সবুজায়ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়া, বেড়িবাঁধে এক্সপ্রেসওয়ে সংযোগ এবং মেট্রোরেলের সুবিধা সম্প্রসারণে উদ্যোগ গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

৫. জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশ সুরক্ষা: রামচন্দ্রপুর খালসহ সকল খাল দখলমুক্ত করে একটি সমন্বিত ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি, আধুনিক ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করে পরিবেশের মান উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

৬. ব্যবসাবান্ধব ঢাকা-১৩: ‘এক ছাতার নিচে সকল সেবা’ নীতি গ্রহণ করে লাইসেন্স প্রক্রিয়া সহজীকরণ করা হবে। স্থানীয় শিল্প, ক্ষুদ্র কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া হবে।

৭. শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষক সংকট নিরসন এবং আধুনিক ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হবে। কারিগরি ও ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ জোরদার করার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং ও আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করা হবে। বেদখল হয়ে যাওয়া খেলার মাঠগুলো পুনরুদ্ধার করে নতুন প্রজন্মের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

৮. গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংকটের টেকসই সমাধান: গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থায় দুর্নীতি দূর করে সকলের জন্য ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা হবে। ঢাকার অন্যান্য এলাকার সঙ্গে তুলনা করে বিতরণ ব্যবস্থায় বৈষম্য রোধ করে উন্নত সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

৯. স্বাস্থ্য ও নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ: সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সক্ষমতা বৃদ্ধি, চিকিৎসক ও নার্স সংকট নিরসন এবং আধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। টিসিবি (ট্রেডিং কর্পোরেশন অফ বাংলাদেশ) এবং বিভিন্ন ভাতা বিতরণে স্বচ্ছতা আনা হবে। জেনেভা ক্যাম্প ও বস্তিবাসীর পুনর্বাসনেরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১০. ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি: সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হবে। ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করে সামাজিক অবক্ষয় রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

১১. সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও নাগরিক স্বাধীনতা: প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতি পালনে পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। স্বাধীনতা, বিজয় ও ভাষা দিবসসহ সকল জাতীয় দিবস মর্যাদাপূর্ণভাবে এবং সর্বজনীন অংশগ্রহণে উদযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

১২. নারীর অধিকার ও শিশুর বিকাশ: নারী নিরাপত্তায় সিসিটিভি ক্যামেরা ও হটলাইন চালুর পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পে নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। শিশুশ্রম বন্ধ করে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করা হবে। এছাড়া, সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠী, যেমন পতিতা ও হিজড়াদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

১৩. শহীদ ও বীরদের সম্মান এবং জবাবদিহিতার রাজনীতি: মুক্তিযোদ্ধা, জুলাইযোদ্ধা ও শাপলা চত্বরের শহীদদের সম্মান, ভাতা ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন প্রদান করা হবে। নিয়মিতভাবে জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংলাপ, উন্মুক্ত মতবিনিময় এবং জবাবদিহিমূলক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন মাওলানা মামুনুল হক।