নির্বাচনী সহিংসতায় এক নেতার প্রাণহানির ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সংশ্লিষ্ট আসনের এক প্রার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে ওই আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে কোনো বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট আসনের পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া বাতিল করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে ওই নির্বাচনী এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। প্রচার-প্রচারণা চলাকালে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর আগে একটি বড় ধরনের সংঘর্ষে স্থানীয় এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা নিহত হন, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার প্রতিদ্বন্দ্বী এক প্রার্থীর মৃত্যুর সংবাদে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট ওই প্রার্থী বার্ধক্যজনিত এবং শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরপরই রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করেন। কমিশনের নির্দেশে পরবর্তী এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী এখন ওই আসনে নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। তবে যারা ইতোমধ্যে প্রার্থী হিসেবে বৈধতা পেয়েছেন, তাদের নতুন করে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে না। শুধুমাত্র নতুন কোনো প্রার্থী চাইলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।
এদিকে, প্রার্থীর মৃত্যু এবং নির্বাচন স্থগিত হওয়ার খবরে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুনর্নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 





















