পটুয়াখালীর বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাকে দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি অভিযোগ করেছেন, ওসি একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্ররোচনায় জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছেন, যা তার নিরপেক্ষতা হারানোর প্রমাণ।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এমন পক্ষপাতদুষ্ট কর্মকর্তাকে বহাল রেখে বাউফলে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করা যায় না।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালাবে, আর সেখানে ছাত্রদলের আহ্বায়ক তার সহযোগীদের নিয়ে উপস্থিত থাকবেন—এর মানে কী বোঝায়? অভিযানের আগাম খবর তারা জানল কীভাবে? তাছাড়া পুলিশ জামায়াত কার্যালয়ে আসার আগেই কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারাও অভিযানের খবর জানলেন কীভাবে?”
তিনি আরও যোগ করেন, “পুলিশের উচিত ছিল কোনো দলের কার্যালয়ে অভিযান চালানোর আগে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া। কিন্তু কই, পুলিশ তো অভিযান চালিয়ে কিছুই পেল না? আসলে বাউফল থানার ওসি প্ররোচিত হয়ে এ কাজটি করেছেন, তিনি তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন।” তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানান, নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে দ্রুত তাকে বাউফল থানা থেকে প্রত্যাহার করা হোক।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ সংবাদ সম্মেলনে আরও জানান, আগামী শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বাউফলে আগমন করবেন। তিনি স্থানীয় পাবলিক মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। এই সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম। এছাড়া জনসভায় ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত থাকবেন। তিনি বাউফলের সর্বস্তরের জনগণকে উক্ত জনসভায় উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানান।
রিপোর্টারের নাম 






















